নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গুলশন কলোনী নিয়ে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি কলকাতা পুরসংস্থার মেয়র পরিষদ নিকাশি তারক সিংয়ের। ‘গুলশন কলোনীর মধ্যে বেআইনি কাজ হয়েছে। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না’, বলে স্বীকার করে নিলেন তারক সিং। তাঁর দাবি, গুলশন কলোনীর নিকাশি ব্যবস্থার জন্য স্থানীয় ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ তাঁকে সেখানে নিয়ে গিয়েছিলেন। গুলশন কলোনী এলাকার নিকাশি ব্যবস্থার জন্য কয়েক কোটি টাকা খরচও হয়েছে বলে জানালেন মেয়র পরিষদ। তাঁর দাবি, ‘গুলশন কলোনীতে অনেক ট্যাক্স দেওয়া মানুষ আছেন। যারা কলকাতা পুরসংস্থাকে কর দিয়ে থাকেন। গুলশন কলোনী বেআইনি নির্মাণ হলেও সেখানকার মানুষদের পুর পরিষেবা পাওয়ার অধিকার আছে। সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা গুলশন কলোনীতে ও কলকাতা পুর সংস্থার পরিষেবা দিতে বাধ্য। গুলশন কলোনী যারা থাকছেন তাঁরা মালিক নন। তাঁরা কলকাতা পুরসংস্থার জমিতে থাকছেন। তাঁর পরিষেবা ও সুবিধা ভোগ করছেন।’ তাই তার বিনিময় তাঁদের থেকে কর নেওয়ার অধিকার আছে বলে দাবি জানান মেয়র পরিষদ নিকাশি বিভাগ তারক সিং।
তাঁর আরও দাবি, গুলশন কলোনীর নিকাশি ব্যবস্থার জন্য রাজ্য সরকারের তরফে কলকাতা পুরসংস্থার নিকাশি বিভাগের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যার মধ্যে ১৫৬ কোটি টাকা এরই মধ্যে কলকাতা পুরসংস্থার কোষাগারে চলে এসেছে বলে জানান তিনি। এই ১৫৬ কোটি টাকার মধ্যে ১২৭ কোটি টাকা হোস্টিংয়ের দইঘাটে লক গেট ও পাম্পিং স্টেশন করার কাজে ব্যবহার করা হবে। বাকি টাকা কলকাতার বেশ কয়েকটি জায়গায় নিকাশি ব্যবস্থা সহ বৃষ্টির জল সংগ্রহ করার কাজে ব্যবহার করা হবে বলে জানান মেয়র পারিষদ নিকাশি বিভাগ তারক সিং।