নিউজ পোল ব্যুরো: গোসাবা, সুন্দরবন (Sundarban) অঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ গ্রাম, যেখানে চাষিরা বর্তমানে ভাসমান সবজি চাষের (Vegetable cultivation) মাধ্যমে আয়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। এই বিশেষ পদ্ধতি শুরু হয়েছিল প্রায় তিন বছর আগে, যখন গোসাবার খালগুলির জলাভূমিতে (Swamp) পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু হয়।
স্থানীয় চাষিরা জানাচ্ছেন, ভাসমান পদ্ধতিতে (Floating method) চাষ করা অনেকটাই সহজ এবং ঝামেলা কম। গত বছর থেকে অনেকেই এই পদ্ধতিতে চাষ করতে শুরু করেছেন, বিশেষ করে যারা বাড়িতে পুকুর রাখেন। তারা মাছ চাষের পাশাপাশি ভাসমান সবজি চাষও (Floating vegetable farming) করছেন।
আরও পড়ুন:New Jalpaiguri Station: নিউ জলপাইগুড়িতে বড়সড় চোরাচালান!
সুন্দরবন (Sundarban) অঞ্চলে প্রতি বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের (Natural disaster) কারণে চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নোনা জল ঢুকে পড়ে গ্রামে, এবং অনেক সময় নদী বাঁধ ভেঙে চাষের জমি প্লাবিত (Flooded) হয়ে যায়। এর ফলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত চাষের জন্য জমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয় না। এই সমস্যা মোকাবিলা করতে, আমতলি গ্রাম পঞ্চায়েত বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় ভাসমান চাষ পদ্ধতি চালু করেছে।
ভাসমান চাষের পদ্ধতিতে, প্লাস্টিকের ড্রামের (Plastic drum) উপর মাচা তৈরি করে এবং জলে ভাসিয়ে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা হয়। এই পদ্ধতিতে জমির নোনা ভাবের কোনও সমস্যা থাকে না, এবং ফলনও ভালো হয় বলে দাবি করছেন চাষিরা। এক্ষেত্রে, নোনা জমিতে যারা চাষ করতে পারেন না, তারা এই পদ্ধতির মাধ্যমে সহজেই সবজি চাষ শুরু করতে পারছেন।
আরও পড়ুন:Pakistan Train Attack: বালোচিস্তানে ট্রেন হামলার নেপথ্যের কারণ
বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে আরও অনেক চাষি ভাসমান চাষে আগ্রহী হয়েছেন, বিশেষ করে যারা জমির অভাব অনুভব করেন। কুলতলির পর, সুন্দরবনের (Sundarban) বিভিন্ন অঞ্চলে এই চাষ পদ্ধতি আরও বিস্তার লাভ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নতুন পদ্ধতি স্থানীয় চাষিদের জন্য নতুন একটি অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করতে সক্ষম।
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:https://www.facebook.com/share/1XhiZuM5DK/