Dress Code: এবার শিক্ষা বিভাগ জারি করল নির্দেশিকা

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: এবার থেকে আর স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা যা খুশি পোশাক পরতে পারবেন না। মানতে হবে পোশাক বিধি। হিমাচল (Himachal ) প্রদেশের শিক্ষা বিভাগ স্কুলে শিক্ষকদের জন্য পোশাক বিধি (Dress Code) সম্পর্কে একটি বিজ্ঞপ্তি (Issues Circular) জারি করেছে। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রোহিত ঠাকুর এই সিদ্ধান্তের পিছনে যুক্তি ব্যাখ্যা করেছেন।

আরও পড়ুনঃUttar Dinajpur: শুধু শখ নয়, সমাজসেবাও এই বৃদ্ধ বয়সে

রোহিত ঠাকুর সরকারের নির্দেশিকা প্রসঙ্গে বলেছেন, “শিক্ষা বিভাগ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে যার উদ্দেশ্য হল শিক্ষকরা, যারা আমাদের সমাজে বিশেষ স্থান অধিকার করেন, তারা যেন মর্যাদাপূর্ণ এবং শালীন পোশাক পরে স্কুলে আসেন। এটি আমাদের সমাজের উপর, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক এই ধরনের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।” তবে, মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন যে সরকার রাজ্য জুড়ে কঠোরভাবে পোশাক বিধি আরোপ করছে না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে হামিরপুরে, একটি স্কুল স্বাধীনভাবে তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে শিক্ষকদের জন্য একটি পোশাক বিধি বাস্তবায়ন করেছে। তাঁর কথায়, “আমি বিশ্বাস করি যে যেকোনো ভালো উদ্যোগের সর্বদা প্রশংসা করা উচিত। আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না যে এটি রাজ্য জুড়ে প্রয়োগ করা হবে, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল শিক্ষকদের শালীন এবং মর্যাদাপূর্ণ পোশাক পরতে হবে যা ভদ্রতা বজায় রাখে। আমাদের সমাজে শিক্ষক সম্প্রদায়ের তাৎপর্য রয়েছে।”

তবে পোশাক বিধি (Dress Code) চালু হয়েছে যেমন একদিকে অন্যদিকে, হিমাচল প্রদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে আরেকটি ঘটনা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। যেখানে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ডেপুটি-পরিচালকের একটি চিঠিতে স্কুলগুলিকে জাদু প্রদর্শনের আয়োজন করার এবং সংগৃহীত তহবিল মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী রোহিত ঠাকুর স্পষ্ট করে বলেছেন যে এই চিঠিটি কেবল একটি চিঠি ছিল, এটা কোনও সরকারী বিজ্ঞপ্তি নয়। তাঁর কথায়, “এটি কোনও বিজ্ঞপ্তি ছিল না, এটি কেবল প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ডেপুটি-পরিচালকের জারি করা একটি চিঠি ছিল। আমি তাৎক্ষণিকভাবে এটি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছি। এই ধরণের চিঠি জারি করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই ঘটনাটি শিক্ষা বিভাগের মধ্যে প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে কীভাবে এই ধরণের নির্দেশ জারি করা হয়েছিল।

নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/