Kolkata Police: দোলের আগে রাজ্যজুড়ে কড়া নজরদারি গোয়েন্দাদের!

কলকাতা রাজ্য শহর

নিউজ পোল ব্যুরো: দোল এবং হোলির আগের সময় কলকাতা (Kolkata) সহ রাজ্যে চোরাপথে চিনা আবির প্রবেশ করেছে কি না, এ নিয়ে উদ্বেগ (Anxiety) তৈরি হয়েছে। চোরাই পথে পাচার হওয়া আবিরের (Abir) কিছু অংশ ক্ষতিকর হতে পারে, এমন অভিযোগে গোয়েন্দারা (Kolkata Police) ব্যাপক তল্লাশি ও খোঁজখবর শুরু করেছেন।

আরও পড়ুন:Ration Card: রেশন কার্ডে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংযুক্তির প্রস্তাব!

দোলের কয়েক দিন আগে থেকেই শহর ও গ্রামে রং বিক্রি শুরু হয়ে যায়। অনেক দোকানে এবং রাস্তার পাশে চাঁদোয়া খাটিয়ে রং ও আবির বিক্রি করা হচ্ছে। কিছু ব্যবসায়ী (Businessman) বড়বাজার থেকে আবির কিনে তা বিক্রি করেন স্থানীয় বাজারে। গোয়েন্দা সূত্রে (Kolkata Police) খবর, কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান (Commercial organization) চিন থেকে আবির আমদানি (Import) করলেও সব সময় সেগুলো খারাপ মানের বা সস্তা হয় না। তবে, এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, চিন (China) থেকে চোরাপথে সস্তা আবিরও রাজ্যে পাচার হয়েছে। এই পাচারিত আবিরের একটি বড় অংশ উত্তরবঙ্গ (North Bengal) হয়ে কলকাতা (Kolkata) পৌঁছাচ্ছে।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:https://www.facebook.com/share/1XhiZuM5DK/

গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, কিছু ব্যবসায়ী (Businessman) এই সস্তা চিনা আবিরকে বড়বাজারে মজুত করেন এবং এরপর তা বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হয়। এই আবিরের দাম দেশীয় আবিরের তুলনায় অনেক কম। দেশীয় আবিরের (Native Abir) দাম প্রতি কিলোগ্রাম ৬০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে থাকে, কিন্তু চিনা আবির পাওয়া যায় ৩০ থেকে ৫০ টাকায়। তাই ব্যবসায়ীদের কাছে সস্তা এই চিনা আবিরের (Chinese Abir) চাহিদা বেশি।

তবে, অভিযোগ রয়েছে যে, এই সস্তা আবিরে ব্যবহৃত রং ও রাসায়নিক উপাদান (Chemical elements) শরীর এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। লাল, গোলাপি এবং নীল আবির তৈরি করতে সিন্থেটিক রং এবং ট্যালকম পাউডার (Talcum powder) মেশানো হয়। আরও ক্ষতিকর উপাদান হিসেবে সীসা এবং পারদও মিশিয়ে দেওয়া হয়। এই ধরনের আবির স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত ক্ষতি ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন:Kalyani Incident: এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ট্রলি বন্দি মৃতদেহ উদ্ধার

গোয়েন্দা ও পুলিশ প্রশাসন (Kolkata Police) বড়বাজারের গোডাউনগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছে। তাদের লক্ষ্য, এই ধরনের চিনা আবিরের ব্যাপক বিপণন রোধ করা এবং প্রয়োজনে পরীক্ষাগারে পাঠিয়ে তার মান নির্ধারণ করা।