নিউজ পোল ব্যুরো: কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের (Kalyani Expressway) ধারে উদ্ধার হওয়া ট্রলি-বন্দি (Trolley Bag) দেহটি (Kalyani Incident) রাজস্থানের পালির (Pali, Rajasthan) বাসিন্দা, ৩০ বছর বয়সি ভাগারাম সিংয়ের (Bhagaram Singh)। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘোলা থানার (Ghola Police Station) পুলিশ মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। তদন্তে উঠে আসে যে কলকাতার গিরিশ পার্ক থানার (Girish Park Police Station) মুক্তারামবাবু স্ট্রিটের (Mukhtarambabu Street) একটি কাপড়ের গুদামে (Cloth Warehouse) এই নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটে। সেখানে বেলা ১১:৩০ থেকে ১২টার মধ্যে অভিযুক্ত কৃষ্ণা রাম সিং (Krishna Ram Singh) ভাগারাম সিংয়ের গলা কেটে (Throat Slit) ও শ্বাসরোধ (Strangulation) করে খুন করে। এরপর হত্যার আলামত মুছে ফেলার জন্য সে রক্তমাখা কাপড় ডাস্টবিনে (Dustbin) ফেলে দিয়ে দ্রুত পোশাক বদলে ফেলে।
আরও পড়ুন:- TMC: গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত চাঁদপুর! উপ্রধানের ওপর হামলা
হত্যার পর কৃষ্ণা রাম সিং মৃতদেহটিকে একটি বড় ট্রলি ব্যাগে (Trolley Bag) ঢুকিয়ে ফেলে। এরপর সে কাপড়ের ব্যবসায়ী (Cloth Businessman) করণ সিংকে (Karan Singh) সঙ্গে নিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ ওই গোডাউন থেকে ট্রলি-বন্দি দেহ বের করে। প্রথমে তারা একটি ট্যাক্সি (Taxi) করে নাগেরবাজার (Nagerbazar) পৌঁছায়। এরপর সেখানে ট্যাক্সি বদল করে রাত ৯:১৫ নাগাদ অ্যাপ ক্যাব (App Cab) ধরে সোজা চলে আসে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ঘোলা থানার অন্তর্গত খেপলি বিল (Khepli Bil) এলাকায়।কিন্তু সন্দেহ হওয়ায় ক্যাবচালক (Cab Driver) তাদের প্রশ্ন করলে কৃষ্ণা রাম সিং সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে যায়। এরপর পুলিশ মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে ঘোলা থানার এসিপির (Assistant Commissioner of Police) নেতৃত্বে তদন্ত শুরু করে এবং ১৬৫ মুক্তারামবাবু স্ট্রিটের ঠিকানায় পৌঁছায়। ঘোলা থানার পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালিয়ে পুরো ঘটনার কিনারা করে ফেলে। এরপর কৃষ্ণা রাম সিং কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ট্রেন (Train) ও বাস (Bus) ধরে গিরিশ পার্কে (Girish Park) ফিরে যায়। সেখান থেকেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে (kalyani Incident)। পাশাপাশি করণ সিংকেও আটক করা হয়।
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:- https://www.facebook.com/share/164mWXbsyp/
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে যে অভিযুক্তরা ভাগারাম সিংয়ের কাছ থেকে কাপড়ের ব্যবসার (Clothing Business) জন্য ৮ লক্ষ টাকা পেত। দিওয়ালির (Diwali) পর থেকে সেই টাকা ফেরত না দেওয়ায় তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এই আর্থিক আক্রোশের কারণেই তারা ভাগারাম সিংকে খুন করে বলে পুলিশের অনুমান। পুলিশ এরইমধ্যে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পুরো ঘটনাটি পরিকল্পিত খুন (Planned Murder) কিনা, এর পেছনে আরও কেউ যুক্ত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।