নিউজ পোল ব্যুরো: গত মাসে আহিরিটোলার ঘটনায় চমকে উঠেছিল গোটা শহর সহ রাজ্য। মা-মেয়ে মিলে পিসি শাশুড়িকে খুন করে তিন টুকরো দেহ ট্রলি ব্যাগে ভরে গঙ্গায় ফেলে দেওয়ার সময়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে। সেই ট্রলিকাণ্ডে ছায়া (Trolley Case) এবার কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে। উদ্ধার হয়েছে ট্রলি-বন্দি (Trolley Bag) দেহ। গ্রেফতার করা হয়েছে দুই ব্যক্তিকে সেই ঘটনায় এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। কিভাবে, কেন খুন সেই তথ্য জানতে পেরেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের (Kalyani Expressway) ধারে উদ্ধার হওয়া ট্রলি-বন্দি (Trolley Bag) দেহটি রাজস্থানের পালির (Pali, Rajasthan) বাসিন্দা, ৩০ বছর বয়সি ভাগারাম সিংয়ের (Bhagaram Singh)। দুই অভিযুক্তকে জেরার পর পুলিশ জানতে পেরেছে কৃষ্ণরাম সিং ও করণ সিং ও মৃত ভাগারাম সিং পাশাপাশি রুমে গিরিশ পার্কের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। কৃষ্ণরাম সিং ও করণ সিং-এর কাছে ভাগারামের ৮ লক্ষ টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল। মৃত ব্যক্তি চুড়িদারের পিসের ব্যবসা করতেন। কৃষ্ণরাম ও করণ-এর থেকেই কিনতেন চুড়িদারের পিস। ৮ লক্ষ টাকা দুই ব্যক্তি ফেরত চাওয়াতেই ঘটে বিপত্তি। দুই অভিযুক্ত জানিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে তারা টাকা চাইতেন। সেই টাকা না পাওয়াতেই কৃষ্ণরাম সিং ও করণ সিং মিলে ভাগারাম সিং-কে খুনের পরিকল্পনা করে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ Kalyani Incident: এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ট্রলি বন্দি মৃতদেহ উদ্ধার
পুলিশ আরও জানিয়েছে দুই অভিযুক্ত ভাগারামকে ভাড়া বাড়িতে প্রথমে কফির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। সেই কফি খেয়ে ভাগারাম অচৈতন্য হয়ে পড়লে প্রথমে শ্বাসরোধ করা হয় ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তারপর গলার নলি কাটে দুই অভিযুক্ত। তারপর সেই মৃতদেহ ট্রলি ব্যাগে ভরে প্রথমে নাগেরবাজার তারপর সেখান থেকে ক্যাব ভাড়া করে ঘোলা এলাকায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশ জানতে পেরেছে ওই ট্রলিবন্দি দেহ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের (Kalyani Expressway) পাশে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ক্যাব চালকের সন্দেহ হওয়ার কারণে এক অভিযুক্ত সঙ্গে সঙ্গে ধরা পড়ে। পুলিশ গ্রেফতার করে করণ সিংকে। তবে যাই হোক শহর জুড়ে ট্রলিকাণ্ড (Trolley Case) বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/