নিউজ পোল ব্যুরো: ফের মুর্শিদাবাদের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) শোকজ করল তৃণমূলের বিধানসভার পরিষদীয় কমিটি। চার মাসে দু’বার হুমায়ুনকে শোকজ করা হল। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে।
উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারীর চাংদোলা মন্তব্যের পর বুধবার শুভেন্দুকে তোপ দেগে হুমায়ুন কবীর পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “উনি যদি মারতে আসেন তাহলে আমরা কি রসগোল্লা খাওয়াব নাকি? মুসলিম বিধায়কদের তিনি অসম্মান করবেন, আছাড় মেরে রাস্তায় ফেলার কথা বলবেন, তাঁকে তো আর রসগোল্লা খাওয়াব না। যা জবাব দেওয়ার তাই দেওয়া হবে। ওঁ আছাড় মারার কথা বলেছেন, আমি ঠুসে দেব।” এখনেই শেষ নয় তিনি আরও বলেছিলেন, বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যদি নিজের মন্তব্য প্রত্যাহার না করেন এবং মুসলিম বিধায়কদের কাছে ক্ষমা না চান, তাহলে বিধানসভায় তাঁর নিজের (শুভেন্দু অধিকারী) ঘরের বাইরে তাঁকে বুঝে নেওয়া হবে। আমার নেতৃত্বে ৪২ জন মুসলিম বিধায়ক বুঝে নেবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আমাদের মোকাবিলা করতে পারেন কি না দেখুন।” এই মন্তব্যে ঘিরেই নতুন করে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক তরজা। বৃহস্পতিবার বিজেপি মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানালেও হুমায়ুন কবীর তাঁর মন্তব্যে অনড় ছিল। তারপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে প্রশ্ন উঠছিল মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক করার পরেও কেন এই ধরনের মন্তব্য। তবে শুধু শোকজ নয় শুভেন্দু ইস্যুতে তিনি কেন প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন তার কারণ জানতে চেয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে হুমায়ুনকে।
আরও পড়ুনঃ WB Assembly: ফের উত্তাল বিধানসভা, ওয়াকআউট বিজেপির
এটাই প্রথম নয়, এর আগে গত ২৭ নভেম্বর তৃণমূলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ভরতপুরের বিধায়ককে (Humayun Kabir) শোকজ করেছিল। তবে এত কিছুর পরেও থেমে নেই তৃণমূল নেতা। তাঁর সাফ কথা, “শুভেন্দু অধিকারী এত বড় একটা কথা (ক্ষমতায় এলে তৃণমূলের মুসলিম বিধায়কদেরকে বিধানসভা থেকে ছুড়ে ফেলব) বলার পরও প্রশাসন চুপ। আমরা যখন কিছু বলি তখন প্রশাসন তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেয়। আর আজ প্রশাসন চুপ কেন? দলের থেকে আমার কমিউনিটি আগে, আমাদের কমিউনিটিতে এরকম কথা বললে আমরা ছেড়ে কথা বলব না।”
নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/