Polash Flower: পলাশের সৌন্দর্য্য ও স্বাস্থ্যঝুঁকি,উদ্বেগ বেলুড় হাসপাতালে

জেলা রাজ্য স্বাস্থ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: বসন্তে পলাশ ফুলে (Polash Flower) ভরে ওঠে আকাশ, যেন এক চমকপ্রদ উজ্জ্বলতা। পলাশের (Polash Flower) নরম পাপড়ি, বসন্তের (Spring) হাওয়ায় যেন ভালোবাসার এক নিঃশব্দ বার্তা। আরও রোগকে উপেক্ষা করে এই পলাশের (Polash Flower) প্রেমে ভিড় বাড়ছে বেলুড় ইএসআই (Belur ESI) যক্ষ্মা হাসপাতালের চত্বরে। হাসপাতালের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে সেখানে প্রতিদিন পিকনিকের (Picnic) মতো দিন কাটাচ্ছেন বহু মানুষ, যাদের মধ্যে অনেকেই চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে দূরে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ (Anxiety) প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের প্রাক্তন সুপার ডা. উৎপল চট্টোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, যক্ষ্মা আক্রান্ত (Tuberculosis patient) রোগীরা যেসব জায়গায় ভর্তি হন, সেখানে সাধারণ মানুষের যাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এটি সংক্রমণের (Infection) ঝুঁকি বাড়ায়। রোগীকে আক্রান্ত না হওয়ার জন্য এক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা (Preventive measures) নেওয়া জরুরি। হাসপাতালের এই চত্বরে মানুষের জমায়েত স্বাস্থ্যগত দিক থেকে বিপদজনক এবং আইন বিরোধী, যা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।

আরও পড়ুন:Murshidabad News: টোকাটুকি বন্ধের জেরে পরীক্ষাকেন্দ্রে তাণ্ডব!

এদিকে, স্থানীয় সাঁপুইপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বাবু মণ্ডল অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) উদাসীনতার কারণে পলাশ বনের (Palash forest) এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, সরকার এই এলাকা আলাদা করে সংরক্ষিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে এই ধরনের ভিড় কমানো সম্ভব হত। হাওড়ার সাঁতরাগাছি কেদারনাথ ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষিকা লাভলি সেনগুপ্তও বনের সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, এটি একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান হতে পারে, তবে সঠিক সংরক্ষণ ও পরিচালনার মাধ্যমে।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:https://www.facebook.com/share/1XhiZuM5DK/

যদিও এসব অভিযোগের মধ্যে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে অনেকেই এই ভিড়ে অংশ নিচ্ছেন, এর মধ্যে সোদপুর, বরানগর ও বজবজের বাসিন্দা তমালি চৌধুরি, স্নেহাশিস বাগ ও সন্দীপ সেনগুপ্তও রয়েছেন। তাঁরা যক্ষ্মার (Tuberculosis) ভয় উপেক্ষা করে এখানে সময় কাটাতে আসছেন এবং বনের সৌন্দর্য (Beauty) উপভোগ করছেন। তবে এদের মধ্যে অনেকেই বনের সংরক্ষণ দাবিও করছেন।

এই ভিড়ের কারণে হাসপাতাল চত্বরটি বাইরে থেকে আসা গাড়িতে ভর্তি হয়ে গেছে, যার কারণে হাসপাতালের কর্মীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছেন। হাসপাতালের সুপার শৈবাল মিত্রও এই ভিড়কে আইন বিরোধী বলে উল্লেখ করেছেন এবং পুলিশের সাহায্য ও স্থানীয় পঞ্চায়েতের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন।

আরও পড়ুন:Lift Accident: লিফট দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাল একরত্তি শিশু