আরও পড়ুন: নওদা থানার পাটিকাবাড়ি রাধাগোবিন্দ মন্দিরের (RadhaGobinda Temple, Patikabari, Nawda) কমিটি অভিনব এক উদ্যোগ নিয়েছে চাঁদা সংগ্রহের ক্ষেত্রে। মন্দিরের প্রণামী বাক্স থেকে টাকা চুরির ঘটনা আটকাতে এবং ভক্তদের সুবিধার্থে এবার তারা চালু করেছে ‘QR Code’। মন্দিরে আয়োজিত আসন্ন ২৪ প্রহর লীলা কীর্তন মহাযজ্ঞের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এই ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: Puri Jagannath Temple: এবার মন্দিরে বসেই উপভোগ করুন মহাপ্রসাদ!
মন্দির কমিটির সম্পাদক সৌরভ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, মন্দিরের মূল প্রবেশদ্বারের (Main Entrance) বাইরে একটি প্রণামী বাক্স (Donation Box) রয়েছে, যেখানে এলাকার ভক্তরা সাধারণত ২-৫ টাকা চাঁদা প্রদান করেন। তবে মাসদুয়েক আগে এই বাক্স থেকে টাকা চুরি হয়ে যায়, যা কমিটিকে নতুন কোনো নিরাপদ পদ্ধতির কথা ভাবতে বাধ্য করে। আসন্ন মহাযজ্ঞে (Religious Ceremony) প্রায় পাঁচ-ছয় লক্ষ টাকা ব্যয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেই কারণেই এবার অনলাইন পেমেন্ট (Online Payment) সহজ করতে ‘QR Code’ চালু করা হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ বিশেষ পোস্টার (Poster with QR Code) ছাপিয়ে তা বিলি করেছে এবং প্রণামী বাক্সের পাশে সেই ‘QR Code’ সংযুক্ত করা হয়েছে। ভক্তরা নিজেদের স্মার্টফোন (Smartphone) থেকে এই কোড স্ক্যান (Scan QR Code) করলেই অনলাইনে টাকা দান (Online Donation) করতে পারবেন। এতে যেমন নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে, তেমনই এখনকার যুগে অনেকেই ডিজিটাল লেনদেন (Digital Transaction) করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাঁদের জন্যও এটি হবে সুবিধাজনক।
যদিও ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হয়েছে, তবুও মন্দিরের মূল প্রণামী বাক্সটি সম্পূর্ণ সরিয়ে নেওয়া হয়নি। বরং সেখানে এবার বড় তালা (Strong Lock) লাগানো হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে চুরির ঘটনা না ঘটে। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এখন অনেক ভক্ত অনলাইন দান (Online Donation System) পদ্ধতিকে বেশি গুরুত্ব দেবেন, ফলে নগদ অর্থ জমার পরিমাণও কিছুটা কমতে পারে। এলাকার বহু মানুষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, মন্দিরের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে (Religious Institution) অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হওয়ায় ভক্তরা দূরে থেকেও সহজেই দান করতে পারবেন।
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
উল্লেখ্য, আগামী ২ এপ্রিল থেকে পাটিকাবাড়ি রাধাগোবিন্দ মন্দিরে ২৪ প্রহর লীলা কীর্তন মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে, যা পাঁচ দিন ধরে চলবে। হাজার হাজার ভক্তের সমাগম আশা করা হচ্ছে। আয়োজক কমিটি মনে করছে, ‘QR Code’-এর মাধ্যমে চাঁদা সংগ্রহের উদ্যোগ এই অনুষ্ঠানের সফলতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।