Shankar Ghosh : ফের বিস্ফোরক শংকর ঘোষ, করলেন বিরাট দাবি

কলকাতা রাজনীতি রাজ্য শহর

নিউজ পোল ব্যুরো: ফের বিস্ফোরক বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ (Shankar Ghosh)। সোমবার বিধানসভার বাইরে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিতর্কিত মন্তব্য থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে শাসক দলকে নিশানায় রেখেছেন তিনি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সম্প্রতি সংখ্যালঘু বিধায়কদের চ্যাংদোলা করে রাস্তায় ফেলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এরই পাল্টা দেন হুমায়ুন কবির। এবারে সেই প্রসঙ্গে শংকর ঘোষের দাবি, রাজ্যের হিন্দুরা অস্তিত্ব সংকটের মধ্যে রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee : ৯ বছর ফুরফুরায় ফুরফুরে মেজাজে মুখ্যমন্ত্রী

এদিন বিজেপি বিধায়ক বলেন, “জাহাজ যখন ডুবতে শুরু করে তখন খড়কুটো আঁকড়ে বাঁচার চেষ্টা করা হয়। এটা মুখ্যমন্ত্রীর বাঁচার শেষ চেষ্টা।” এরই সঙ্গে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে যোগ করেন, “আমাদের কিছু হিন্দু ধর্ম নিরপেক্ষ লোক দেখা যায়। যাদের কানে তালা লাগানো থাকে। এদের মত তোষণবাজদের জন্যই হুমায়ুন, ফিরহাদ, সিদ্দিকুল্লাদের এত বাড়বাড়ন্ত।” উল্লেখ্য, এদিনই ফুরফুরা শরিফে ইফতার পার্টিতে যোগ দিতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে শংকর ঘোষের (Shankar Ghosh) এহেন মন্তব্য সাম্প্রতিক রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ যে আরও খানিক বাড়িয়ে দিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সম্প্রতি ত্বহা সিদ্দিকী জানান যে দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরে পাশাপাশি মসজিদও হোক। কারণ সেখানে সংখ্যালঘু পর্যটকরাও যান। মনে করা হচ্ছে, এদিন ফুরফুরা শরিফে এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্তে কথা বলতে পারেন ত্বহা। এই প্রসঙ্গে শংকর ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এই প্রশ্নের উত্তর মুখ্যমন্ত্রীকে দিতে হবে। রাজনীতিতে ধর্মের প্রবেশ তিনি ঘটিয়েছেন। তাই ত্বহাবাবুরা যে প্রস্তাব রাখছেন তা নিয়ে জবাব মুখ্যমন্ত্রীকেই দিতে হবে।”

নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/

সম্প্রতি প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ সাফ দাবি করেছেন যে, ১২ জন বিজেপি বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিতে চাইছেন। তার আগে কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিজেপির অন্ততঃ ৪ জন বিধায়ক তৃণমূলে আসতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই সমস্ত দাবিও এদিন ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ (Shankar Ghosh)। বলেন, “গোটা তৃণমূল দলটাই উঠে যেতে বসেছে পিসি-ভাইপোর লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে। আর সেদিক থেকে চোখ সরানোর জন্য সংবাদ মাধ্যম এসব প্রচার করছে। কোথায় কোন নেতা কী বলেছে সেসব বিবৃতি তুলে ধরা হচ্ছে।”