নিউজ পোল ব্যুরো: মধ্যমগ্রামে (Madhyamgram) এক চাঞ্চল্যকর জমি দখলের (illegal land grabbing) ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ (court injunction) থাকা সত্ত্বেও জোর করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এক প্রোমোটারের (real estate promoter) বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারাসাত (Barasat) টালীখোলা মোড় সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগকারিণী কাজল রায় চৌধুরী (Kajol Roy Chowdhury) জানান, তাঁর বাবা যশোদা জীবন সাহার (Yashoda Jiban Saha) মালিকানাধীন ৫৪ কাঠা জমি ছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি ও তার ভাই-বোন ওই জমির যৌথ মালিক হন।
আরও পড়ুনঃ Suvendu Adhikari : ভগবানপুর ফেরাল ‘শুভেন্দুর গড়’ তত্ত্ব, কাঁটায় কাঁটায় টক্করের ইঙ্গিত
তবে পারিবারিক ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তারা জমিটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে (government bank) বন্ধক রেখে ঋণ (loan) নেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ তার ভাইয়ের হঠাৎ মৃত্যু হলে তারা ব্যাংকের ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারেননি। এরপর অভিযোগ ওঠে, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক তাদের না জানিয়েই সেই জমি মধ্যমগ্রামের (Madhyamgram) এক প্রোমোটারের কাছে বিক্রি (land sold by bank) করে দেয়।

উল্লেখ্য, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারা আদালতের দ্বারস্থ হন এবং আদালত সেই জমিতে ইনজাংশন (court injunction on land) জারি করে। কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি। অভিযোগ, ১২ মার্চ (March 12) ওই প্রোমোটার জমিতে বুলডোজার (bulldozer) ঢুকিয়ে গাছপালা কেটে ফেলে এবং সেখানে থাকা কিছু অস্থায়ী ঘর (temporary structures) গুঁড়িয়ে দেয়। এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ উঠেছে, বারাসাত থানায় (Barasat Police Station) গেলে পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতেই চায়নি। এমনকি, জমির নিরাপত্তার স্বার্থে কাজল রায় চৌধুরী জমির প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে দেন, যাতে দোল উৎসবের পর সেখানে কেউ প্রবেশ করতে না পারে। কিন্তু এরপরও কিছু দুষ্কৃতী জোর করে ওই জমির দখল (illegal land possession) নিয়ে নেয়।

নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
কাজল রায় চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা এত সহজে জমির দখল হারাবেন না। তিনি জানান, “আমাদের জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করা হয়েছে, পুলিশও অভিযোগ নিতে চায়নি। আমরা এবার উচ্চ আদালতে যাব।” এই ঘটনার পর প্রোমোটার এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে জমি দখল হল? কেন পুলিশের তরফ থেকে অভিযোগ নিতে আপত্তি জানানো হল? এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন (administration) এবং বিচারব্যবস্থা (judicial system) এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয় এবং জমির আসল মালিকরা তাদের ন্যায়বিচার (justice for land owners) পান কি না।