নিউজ পোল ব্যুরো: ২০২১ সালে প্রথমবারের জন্য ফুরফুরা শরিফে (Furfura Sharif) গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এরপর ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে যান। আর এবার ৯ বছর পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বার ফুরফুরা শরিফে পা রাখতে চলেছেন মমতা। তৃণমূলের সংখ্যালঘু বিধায়কদের উদ্দেশ্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিতর্কিত মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্টি হওয়া বর্তমানের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে যা অত্যন্ত তাৎপর্যবাহী মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুনঃ Narendra Modi : জেলেনস্কিকে ‘ভাই’ সম্বোধন, পুতিনকেও যুদ্ধ নিয়ে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর
গত সোমবার ভাঙরের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এদিন বিকালে ফুরফুরা শরিফে ইফতার পার্টিতে যোগ দেবেন তিনি। এই ইফতার আয়োজন করা হচ্ছে সরকারের উদ্দেশ্যে। তাই মনে করা হচ্ছে, ইফতারের ফাঁকে তহ্বা সিদ্দিকীর সঙ্গে একান্তে বৈঠক করতে পারেন মমতা (Mamata Banerjee)। উল্লেখ্য, রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর রীতিমত প্রভাব রয়েছে ফুরফুরা শরিফের। তাই সাম্প্রতিক সময়ে শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতি যখন উত্তাল ঠিক তখনই মমতার ফুরফুরা শরিফ সফর সৃষ্টি করছে নয়া জল্পনার।

তাছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ফুরফুরা শরিফ নিয়ে যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেগুলি কতটা পূরণ হয়েছে তা বিতর্কের বিষয়। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই ফুরফুরার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ক্রমেই নিবিড় হয়েছে। গঠিত হয়েছে ফুরফুরা শরিফ উন্নয়ন পর্ষদ। অন্যদিকে রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী ফুরাফুরা এলাকারই বিধায়ক। সব মিলিয়ে রাজ্যের উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও যে মুখ্যমন্ত্রী রীতিমত ফুরফুরে মেজাজেই ফুরফুরায় পা রাখতে চলেছেন তা বলাই বাহুল্য।
নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
আরও একটি বিষয় রয়েছে। যা হল, রাজ্য রাজনীতিতে পুনরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সক্রিয়তা। আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছেন অভিষেক।ফলে এই পরিস্থিতিতে ফুরফুরা থেকে মমতা (Mamata Banerjee) কী বার্তা দেন সেদিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ত্বহা সিদ্দিকী জানান, দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের মত মসজিদও করা হোক। কারণ দিঘায় সংখ্যালঘুরাও যান। মনে করা হচ্ছে, এদিন এই প্রসঙ্গেও কথা হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ত্বহা সিদ্দিকীর মধ্যে।