Park street : উদ্ধার নয় মাসের অপহৃত শিশু, গ্রেফতার ৩

অপরাধ কলকাতা

নিউজ পোল ব্যুরো: পার্ক স্ট্রিট ( Park street) থানা এলাকার রিপন স্ট্রিট থেকে চুরি যাওয়া এক ন’মাসের শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক মহিলাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, শিশুটিকে অপহরণের পর অন্য এক দম্পতির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। তবে এই ঘটনার পেছনে কোনও চক্র সক্রিয় রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শিশুটির পরিবার রাজারহাটের ইকো পার্ক থানা এলাকায় থাকে। ঘটনার দিন শিশুটির মা তাঁর দুই সন্তানকে নিয়ে রিপন স্ট্রিটে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন। ফুটপাতের এক দোকানের সামনে বসে খাওয়ার সময় তিনি দেখেন, তাঁর সন্তান কান্নাকাটি করছে। ঠিক তখনই এক অপরিচিত মহিলা সাহায্য করার নামে এগিয়ে আসেন। শিশুটির মা বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব না-দিয়ে খাওয়ার দিকে মন দেন। এই সুযোগেই ওই মহিলা শিশুটিকে নিয়ে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: Jhargram: হাতির হামলায় বিপর্যস্ত গ্রামবাসী, রাতভর তাণ্ডবে ধ্বংস ফসল

শিশুটির মা বিষয়টি বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে থানায় অভিযোগ জানান। পার্ক স্ট্রিট ( Park street) থানার পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখতে পায়, অভিযুক্ত মহিলা শিশুটিকে কোলে নিয়ে একটি অটোতে উঠছে। এরপরই পুলিশ ও শিশুটির পরিবারের সদস্যরা সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) ওই ফুটেজ ছড়িয়ে দেন, যাতে শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়। তদন্তে জানা গিয়েছে, নারকেলডাঙা এলাকার এক ঝুপড়িতে অভিযুক্ত মহিলা লুকিয়ে ছিল। রবিবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে পরভিন বিবি নামের ওই মহিলাকে গ্রেফতার করে। তাঁকে জেরা করে আরও দুই অভিযুক্তের নাম উঠে আসে— মিয়াঁজান লেনের বাসিন্দা বিউটি সিংহ ও রাজেশ সিংহ। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদেরও গ্রেফতার করে এবং শিশুটিকে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করে।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/

শিশুকে ফিরে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার মা। পার্ক স্ট্রিট ( Park street) থানায় বসে তিনি জানান, ‘‘সিসিটিভি ফুটেজে আমি ওই মহিলাকে চিনতে পেরেছি। সে আমাদের অনেকক্ষণ ধরে অনুসরণ করছিল। সাহায্য করার নামে কাছে এসে পরে জল আনতে যাওয়ার নাম করে আমার ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যায়।’’ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে এবং এই ধরনের অপরাধ ভবিষ্যতে রুখতে আরও কড়া নজরদারি চালানো হবে।