নিউজ পোল ব্যুরো: উপকূলবর্তী এলাকায় বেআইনি মাটি খনন ও পাচারের (Illegal soil mining) বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। সোমবার সন্ধ্যায় দুটি মাটি বোঝাই ট্রাক্টর (soil-laden tractor) আটক করে রামনগর ১ ব্লকের ভূমি দপ্তরের আধিকারিকরা। পাশাপাশি, ট্রাক্টর চালকদেরও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এক সাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: Jaigaon: বছর দুয়েক পর কবর থেকে উঠল মৃতদেহ
উপকূলবর্তী অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই বেআইনি মাটি খনন ও পাচারের অভিযোগ উঠছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন (illegal soil mining) করে সমুদ্র বালি থেকে মাটি তুলে পাচার করছে। সরকারকে রয়্যালটি না দিয়ে এভাবে মাটি বিক্রি করায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এই বেআইনি চক্রকে ধরতে প্রশাসন কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। সোমবার সন্ধ্যায় রামনগর বাজার সংলগ্ন এলাকায় দুটি মাটি বোঝাই ট্রাক্টর যাচ্ছিল। সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ভূমি দপ্তরের আধিকারিকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এরপরই অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে আসে। দীর্ঘ আলোচনার পর ভূমি দপ্তর দুটি ট্রাক্টর আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
তবে, এক ট্রাক্টর থানায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হলেও, অন্য ট্রাক্টরটি পালানোর চেষ্টা করে। সেই সময় ট্রাক্টরের চালক পথের মাঝে থাকা এক সাইকেল আরোহীকে (cyclist) ধাক্কা মারে, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান। পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ট্রাক্টরের চালক জোরপূর্বক রাস্তার ধারে মাটি ফেলে দেয়, যাতে প্রশাসন ট্রাক্টরটিকে আটক করতে না পারে। ভূমি দপ্তরের কর্মী অসিত গিরি জানান, “আমরা মোটরসাইকেলে করে একটি অবৈধ মাটি বোঝাই ট্রাক্টর থানায় নিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ ট্রাক্টরের চালক গতি বাড়িয়ে অন্য রাস্তায় ঢুকে পড়ে এবং পালানোর চেষ্টা করে। সেই সময় সে এক সাইকেল আরোহীকে ধাক্কা মারে এবং রাস্তার ধারে মাটি ফেলে দেয়।”
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
ভূমি দফতরের আধিকারিকের কথা অনুযায়ী , মাটি পাচারের (illegal soil excavation) বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আটক দুটি ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং জরিমানাও করা হবে। এই ধরনের বেআইনি কাজ চলতে দেওয়া হবে না।” রামনগর থানার ওসি বুদ্ধদেব মাল বলেন, **”দুটি ট্রাক্টর (seized tractor) থানায় আটক রয়েছে। ভূমি দপ্তর থেকে অভিযোগ পেলে পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তবে এভাবে সরকারের অনুমতি ছাড়া মাটি চুরি (soil theft)ও পাচার চলতে থাকলে পরিবেশেরও বিপুল ক্ষতি হতে পারে। তাই প্রশাসন সাধারণ মানুষকেও এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেছে। “অবৈধ মাটি খননের বিরুদ্ধে (illegal soil mining prevention) প্রশাসন সদা সতর্ক থাকবে,”জানাল ভূমি দফতর।