নিউজ পোল ব্যুরো: শিলিগুড়ির (Siliguri) জয়ন্তিকা চা-বাগানে ঘটে গেল এক রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। বাগানের সহকারী ম্যানেজার (Assistant Manager) খুনের ঘটনায় পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে চা বাগানের ই শ্রমিক এলথ্রিয়াস এক্কা (Elthrius Ekka)। পুলিশের সূত্রে খবর, অভিযুক্ত নিজেই আত্মসমর্পণ (Surrender) করে এবং ম্যানেজারকে হত্যার দায় স্বীকার করে। তবে এটি শুধুই প্রতিশোধ ছিল, নাকি এর পেছনে রয়েছে বড় কোনো ষড়যন্ত্র (Conspiracy), তা তদন্ত করে দেখছে নকশালবাড়ি থানা এলাকার পুলিশ।
আরও পড়ুন: Siliguri: মজুরি – বোনাসের দাবিতে রাজপথে চা শ্রমিকরা
জয়ন্তিকা চা-বাগানের সহকারী ম্যানেজার হত্যার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় (Siliguri)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তদন্ত চলাকালীনই বৃহস্পতিবার এলথ্রিয়াস এক্কা নিজে এসে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে এবং জানায় যে তিনিই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ তার স্বীকারোক্তি (Confession) গুরুত্ব দেয়নি, তবে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ (Interrogation) শুরু করলে বেরিয়ে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। জেরার মুখে এলথ্রিয়াস খুনের সময় ব্যবহৃত রক্তমাখা অস্ত্রের (Murder Weapon) সন্ধান দেন। তিনি পুলিশকে স্পষ্ট জানায়, হত্যার সময় সে নেশাগ্রস্ত (Intoxicated) অবস্থায় ছিল এবং কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই ঘটনাটি ঘটিয়ে ফেলে। কিন্তু এখানেই রহস্যের সূত্রপাত।

ধৃত এলথ্রিয়াস এক্কাকে শুক্রবার শিলিগুড়ি (Siliguri) মহাকুমা আদালতে (Siliguri Sub-Divisional Court) তোলা হয়। আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সে সাংবাদিকদের সামনে বিস্ফোরক দাবি করে – “আমাকে টাকা দিয়ে খুনের চেষ্টা করা হয়েছিল, তাই আমি আগেই ম্যানেজারকে মেরে ফেলেছি!” তার এই মন্তব্যে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে তদন্তে। এটি শুধুই তাৎক্ষণিক রাগের প্রতিক্রিয়া, নাকি সত্যিই পেছনে রয়েছে গভীর চক্রান্ত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
নিউজ পোল বাংলার ফেসবুক পেজের লিঙ্ক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
এই ঘটনার পর জয়ন্তিকা চা-বাগানে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, কারণ যদি সত্যিই কোনো ষড়যন্ত্র থাকে, তবে সেটি কতটা গভীর তা জানা এখনো বাকি। নকশালবাড়ি থানার পুলিশ ঘটনাটির প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছে এবং শীঘ্রই তদন্তের নতুন তথ্য সামনে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।