নিউজ পোল ব্যুরো: দিনটা ছিল গত ১৪ মার্চ। জাস্টিন ট্রুডোর উত্তরসূরী হিসেবে বর্ষীয়ান নেতা মার্ক কার্নেকে (Mark Carney) বেছে নিয়েছিল লিবারেল পার্টি। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদে এদিন শপথ নিয়েছিলেন তিনি। ৯ দিনের মধ্যেই সেই কার্নে এবার সরকার ভেঙে দিলেন। পাশাপাশি দেশের গভর্নর জেনারেলের কাছে তিনি অনুরোধ করেছেন যাতে কালবিলম্ব না করে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: China : বাড়াতে হবে জনসংখ্যা, বিয়ে নিয়ে নতুন আইন চালু
কিন্তু কেন এমনটা করলেন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী? আসলে নতুন করে সরকার গঠন করার ডাক দিয়েছেন মার্ক কার্নে (Mark Carney)। সেই উপলক্ষ্যে খুব শিগগিরই দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। কার্নে ঘোষণা করেছেন, আগামী ২৮ এপ্রিল কানাডায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতেই নতুন সরকার বেছে নেবে কানাডাবাসী।

মার্ক কার্নের (Mark Carney) আগে দীর্ঘ দুই দশক কানাডার প্রধানমন্ত্রীত্ব সামলেছেন জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। তবে সম্প্রতি তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ে। তিনি থাকাকালীন দেশের জনমত লিবারেল পার্টির পরিবর্তে অনেকটাই বিরোধী কনজারভেটিভদের দিকে ছিল। যে কারণে ট্রুডোকে আর চাইছিলেন না তাঁরই দলের একাংশ। এরপর ট্রুডো ইস্তফা দিলে লিবারেল পার্টির লক্ষাধিক সদস্যের ভোটে নয়া প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন কার্নে।
নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
ট্রুডো প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দেশের হাওয়া কিছুটা কনজারভেটিভ পার্টির দিকে থাকলেও কার্নে ক্ষমতায় আসার পর মানুষ আবার লিবারেলদের দিকে ঝুঁকেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কার্নে সরকার ভেঙে দেওয়া প্রসঙ্গে বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) প্রতিবেশী দেশ আমেরিকার ক্ষমতার আসার পর কানাডাবাসীর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই এই সময়ে দেশের নেতৃত্ব কার হাতে থাকবে তা কানাডার মানুষই সিদ্ধান্ত নিক।”