Howrah Belgachia: হাওড়ার বেলগাছিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে ফিরহাদ

জেলা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: আর্বজনার কারণে একের পর এক ধস বাড়িয়েছে সরকারের বিড়ম্বনা। বিগত কয়েকদিন ধরেই হাওড়ার বেলগাছিয়া (Howrah Belgachia) খবরের শিরোনামে। হাওড়া বেলগাছিয়ায় পানীয় জলের পাইপের লাইন বসাতে গিয়ে বিপত্তি ঘটেছে। তার পর থেকেই সেখানে গিয়েছেন শাসক বিরোধী দলের একাধিক নেতা। গিয়েছিলেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সোমবার বেলগাছিয়ায় জান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একালায় দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে উগড়ে দেন ক্ষোভ। মঙ্গলবার রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম দিয়েছেন এই ঘটনা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাব।

ভাগাড় ও এলাকায় ধস নামা প্রসঙ্গে এদিন ফিরহাদ বলেছেন, “একটা কথা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই এই ১২-১৩ বছরে ভাগারগুলো হয়নি। ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জঞ্জালের পাহাড় জমেছে। সেই জঞ্জালের পাহাড় থেকেই ধ্বস নামছে। ভাগাড়ের পাশে যাদের বাড়ি রয়েছে তারা জবরদখল করে আছে। ভাগাড়ের জমির উপরেই তারা বসবাস করছে। সেই জায়গায় কোন সলিড মাটি নেই। বাউন্সি ল্যান্ড। তবুও মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, গরিব মানুষদের পুনর্বাসনের জন্য। আমরা ভবিষ্যতে বাংলার বাড়ি তৈরির প্রকল্প নেব। তবে এখনই ওই জায়গায় পাকা বাড়ি করে দিলে আবার ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই অস্থায়ীভাবে কাছাকাছি কি করা যায় সেই নিয়েই আজকে বৈঠক আছে।” একযোগে বিরোধীদের কটাক্ষের জবাবও দিয়েছেন। বিরোধীদের নিশানা করে বলেছেন, “আর যারা নাটক করতে যাচ্ছেন। তাদের বলি এখানে এবং আসানসোলে এসব জায়গায় ১০০ ২০০ বছরের সমস্যা। মুখ্যমন্ত্রী আদেশ দেওয়ার পরে আমরা বায়োমাইনিং স্টার্ট করেছি। বায়ো মাইনিং করতে টাইম লাগবে। আমার কাছে ম্যাজিক স্টিক নেই যে আজকে বলবো ভ্যনিশ। কালকে ভাগাড় গুলো ভ্যানিশ হয়ে যাবে। কিন্তু এটা করতে সময় লাগবে। ৩-৪ বছর অন্তত সময় লাগবে। যেমন কলকাতার ধাপাতে হচ্ছে। মানুষ যদি সঙ্গে থাকে এবং সেগরিকেটেড আবর্জনা পুরসভার কর্মীদের দেয় সেটা কলকাতা এবং হাওড়া সব জায়গাতেই তাহলে সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে শুকনো আবর্জনা থেকে আর এন ডি করে সিমেন্ট ফ্যাক্টরি ও পাওয়ার প্লান্টে পাঠাবো। ভেজা আবর্জনা থেকে সিএনজি গ্যাস ও সার তৈরীর প্রকল্প।”

আরও পড়ুনঃ Madhya Pradesh: সেনাকর্মীদের উপর হামলা ও বান্ধবীকে গণধর্ষণের দায়ে ৫ জনের যাবজ্জীবন

হাওড়ার বেলগাছিয়া (Howrah Belgachia) নিয়ে মন্তব্য করায় এদিন নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী। বলেছেন, “যারা ভাগাড়ে চলে যায় তারাই এই ধরনের মন্তব্য করে। কারণ এদের বেশ নেই। কখনো হিন্দুত্ব নিয়ে লাফাচ্ছে কখনো ভাগাড় নিয়ে লাফাচ্ছে । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের ফল্ট কি আছে সেটাই ওরা ধরতে পারছে না এখানে ধর্মীয় বিভাজন হবে না।” এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখা ভালো, সোমবার হাওড়ার বেলগাছিয়ার ধসপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও মঙ্গলবার সেখানে যান পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।