শুভম দে: ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?’ — মানুষের পাশে মানুষ ছাড়া কে দাঁড়াবে? এই সময়ে ভীষণ জ্বলন্ত এই প্রশ্ন। যতদিন যাচ্ছে মানুষ সরে যাচ্ছে মানুষের থেকে। এটাই সত্যি। এটাই বাস্তব। চোখ খুললেই রোজকার খুন-জখম-ছিনতাই-ধর্ষণের মরা পৃথিবীতে তবু আজও সহযোগিতার-সহমর্মিতার ফুল ফোটে। বৃহস্পতিবার তেমনই এক পাশে থাকার সুর ভেসে এল রাজারহাটের এক বহুজাতিক নির্মাণ সংস্থার বিশেষ অনুষ্ঠান থেকে। কর্পোরেট জগৎ বড়ই নিষ্ঠুর। বড়ই নির্মম। এই কথাই সাধারণ মানুষের মুখে ফেরে। কিন্তু তার মাঝেও যে আবেগের ছোঁয়া থাকে কখনও কখনও তার উদাহরণ (Eye Camp) দেখা গেল এদিন। কর্পোরেট সংস্থার এক ভিন্ন রূপ দেখল শহরবাসী।

আরও পড়ুন: Baguiati: নাতিদের জন্য দাদুদের উদ্যোগ, এক অন্যন্য মেলবন্ধনের স্বাক্ষী থাকল বাগুইআটি
শহরের ঐ বহুজাতিক নির্মাণ সংস্থাটি তাদের ফ্ল্যাগশিপ স্পোর্টস সিটি প্রকল্পের অধীনে একটি বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবির (Eye Camp) আয়োজন করল তাদের কর্মীদের জন্য। প্রায় ৩০০ -এরও বেশি শ্রমিক উপকৃত হয়েছেন এই শিবিরের মাধ্যমে। ১৫০ জনেরও বেশি শ্রমিককে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়েছে। তবে শুধু চক্ষু পরীক্ষায় নয় চোখের যত্ন নেওয়ার বিষয়ে এবং কীভাবে দৃষ্টিশক্তি আরও উন্নত করা সম্ভব সেই বিষয়ে সচেতনতার পাঠও দেওয়া হয় এই শিবিরে। রোটারি মহানগর নেত্রালয়ের সহযোগিতায়, চারজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের একটি দল পুরো শিবিরটি পরিচালনা করেন। চোখ মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। চোখের উপরেই ভরসা করে চলে মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম। তাই কর্মীদের চোখের খেয়াল রাখাও তাদের কর্তব্য এমনই মনে করে সংস্থাটি।
সংস্থাটির ডিরেক্টর সিমা মোহতা উপস্থিত ছিলেন উক্ত অনুষ্ঠানে (Eye Camp)। তিনি নিজে হাতে চশমা বিতরণ করেন কর্মীদের মধ্যে। শরীরে চোখের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সক্রিয়ভাবে প্রচেষ্টা চালান তিনি এবং তাদের চোখ সুস্থ রাখার ও চোখের যত্ন নেওয়ার অভ্যাস গ্রহণ করতেও উৎসাহিত করেছেন। তার নেতৃত্বে গত চার বছর ধরে এইধরণের স্বাস্থ্য শিবির আয়োজন করে আসছে নির্মাণ সংস্থাটি।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/