Tariff War: সত্যিই বন্ধু? ভারতকে নিশানায় রেখে এ কোন খেলায় মেতেছেন ট্রাম্প?

আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো: দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় এসেই একাধিক দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক (Tariff) চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এই দেশগুলি যথাক্রমে চিন, কানাডা এবং মেক্সিকো। আমেরিকায় নিষিদ্ধ ওষুধ ফেন্টানাইল (Fentanyl) আর তার সরঞ্জামের পাচার রুখতেই এই বাড়তি শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছে ওয়াশিংটন। এদিকে এরই মধ্যে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে মার্কিন গোয়েন্দা দফতরের রিপোর্টে। যা আরও একবার নাড়িয়ে দিচ্ছে ভারত-মার্কিন সম্পর্কের ভিত।

আরও পড়ুনঃ Tariff War: ট্রাম্পকে শিক্ষা দিতে হবে! ভারতকে বন্ধুত্বের হাত বাড়াল চিন

সম্প্রতি ভারত সফর করে গিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড (Tulsi Gabbard)। তাঁর দফতর থেকে প্রকাশিত এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, আমেরিকায় নিষিদ্ধ ওষুধ ফেন্টানাইল আর তার সরঞ্জাম সবথেকে বেশি পাচার হয় চিন থেকে। আর তালিকায় এরপরেই রয়েছে ভারতের নাম। ফেন্টানাইলের ব্যবহারে কী কী ঝুঁকি রয়েছে তা পর্যালোচনা করেই এই রিপোর্ট বানানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এর আগে ফেন্টানাইল নিয়ে চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, চিনে তৈরি বহু অবৈধ ওষুধ মেক্সিকো এবং কানাডা হয়ে আমেরিকায় প্রবেশ করে। আর এই প্রসঙ্গে বারবার বেইজিংকে বলেও লাভ হয়নি। তাই যতদিন না জিনপিং প্রশাসন এই বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে ততদিন পর্যন্ত চিনা পণ্যে বাড়তি শুল্ক (Tariff) চাপানো হবে‌। যদিও কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিশাপ উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তিনি জানান, আমেরিকায় যত পরিমাণ ফেন্টানাইল ঢুকেছে তার মাত্র এক শতাংশই কানাডা দিয়ে গিয়েছে।

নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/

অন্যদিকে চিনের তরফেও যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করা হয়েছে। বেইজিং জানিয়েছে, চিনা পণ্যে বাড়তি শুল্ক (Tariff) চাপাতেই ফেন্টানাইল সংক্রান্ত অযৌক্তিক দাবি করছে ওয়াশিংটন। তালিকায় দুই নম্বরেই রয়েছে ভারতের নাম। সে বিষয়ে নয়া দিল্লির তরফে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এখনও পর্যন্ত। তবে সম্প্রতি ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা ‘র’কে (RAW) মার্কিন ফেডারেল সরকারের একটি কমিশন তাদের রিপোর্টে নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি ভারতে সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়েও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) নিশানায় রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, মোদি এবং ট্রাম্প যতই বাইরের দুনিয়ার কাছে নিজেদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে তুলে ধরুন না কেন, সত্যিই কি তাঁরা বন্ধু? নয়াদিল্লিও উক্ত রিপোর্টকে ‘একপেশে’ এবং ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে তার সমালোচনা করেছে।