নিউজ পোল ব্যুরো: শিলিগুড়ির ফুলবাড়িতে একটি বেসরকারি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় (Siliguri Hospital)। এক রোগীর মৃত্যুর পর ক্ষুব্ধ পরিজনরা (patient’s relatives) বুধবার রাতে হাসপাতালের ভিতরে ব্যাপক ভাঙচুর (vandalism) চালায়। পরবর্তীতে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মৃত রোগীর নাম সৈকত আলী (৫৫)। তিনি জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের সন্ন্যাসীকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের লাল স্কুল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি সিপিআইএমের (CPI(M)) পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি লিভার জনিত সমস্যা (liver disease) ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় (critical illness) ভুগছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি চিকিৎসার জন্য হায়দ্রাবাদে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরে শিলিগুড়ির তিনবাত্তি এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন।
আরও পড়ুন:- Nadia News: সন্দেহের বলি, স্বামীর অস্ত্রের কোপে স্ত্রী আশঙ্কাজনক
প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, তাকে শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি এলাকায় অবস্থিত আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে (private hospital) স্থানান্তরিত করা হয়। পরিবারের দাবি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর শারীরিক অবস্থার সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয়নি। পরে আচমকাই তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়। রোগীর পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসার সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ (hospital authorities) সঠিকভাবে কোনো আপডেট দেয়নি। হঠাৎ করেই বুধবার রাতে সৈকত আলীর মৃত্যুর কথা জানানো হয় (Siliguri Hospital)। তাদের মতে, যদি রোগীর অবস্থা সংকটজনক থাকত, তাহলে সেই তথ্য আগেই জানানো উচিত ছিল।
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:- https://www.facebook.com/share/p/14FCeG3gG2j/
অন্যদিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগী প্রথম থেকেই সংকটজনক অবস্থায় ছিলেন এবং চিকিৎসা চলাকালীন তার পরিজনদের (family members) বিষয়টি জানানো হয়েছিল। এমনকি, তাদের নিয়মিত কাউন্সিলিং (counseling) করা হয়েছিল, যাতে তারা রোগীর অবস্থা সম্পর্কে অবগত থাকেন। কিন্তু মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরে উত্তেজিত হয়ে রোগীর পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালের মধ্যে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পাশাপাশি হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে বচসায় (verbal altercation) জড়িয়ে পড়ে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
বুধবার রাতে সৈকত আলীর মৃত্যুর পর, ক্ষুব্ধ পরিজনরা হাসপাতালের বিভিন্ন জিনিসপত্রে ভাঙচুর চালায়। হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। ঘটনার (Siliguri Hospital) খবর পেয়ে নিউ জলপাইগুড়ি থানার (NJP Police Station) পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর উভয়পক্ষের মধ্যে পুলিশের উপস্থিতিতে আলোচনা শুরু হয়, যাতে বিষয়টি মীমাংসার দিকে এগোতে পারে। ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আজ, বৃহস্পতিবার, হাসপাতালের সামনে বিশাল পুলিশ বাহিনী (heavy police deployment) মোতায়েন করা হয়।