নিউজ পোল ব্যুরো: শুক্রবারের মধ্যে আরজি কর কাণ্ডে রিপোর্ট তলব করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ সিবিআই-এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডে মৃত তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ নাকি গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। সেই তথ্যই আজ শুক্রবার আদালতে জমা দিয়েছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে জানিয়েছে, “তরুণী চিকিৎসককে গণধর্ষণ করা হয়নি। একজনই এই কাজ করেছিল।” সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, ”ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মতে একজনই অপরাধ করেছে।”
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা শুক্রবার শিয়ালদহ আদালতের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় আদালতে ৩ পাতার স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে । নতুন করে ৩ জনের ফোন কল ডিটেলসে নজর রেখেছেন গোয়েন্দারা, রিপোর্টে এমনটাই বলা হয়েছে। তদন্তকারীরা আদালতে জানিয়েছেন ঘটনায় নতুন করে ২৪ জনের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন আদালতে এদিন বিচারপতি ঘোষ বলেন, “আমি জানতে চাই, যদি গণধর্ষণ হয়ে থাকে, তাহলে কি তদন্তে কারও নাম আসছে?” তার উত্তরেই সিবিআই জানায়, “সব প্রমাণ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ফরেন্সিকে পাঠানো হয়। কাজ করেছিল ১৪ জন চিকিৎসকের টিম। একজনই এই কাজে যুক্ত ছিল তাঁরা জানিয়েছে।” এখানেই শেষ নয় সিবিআই শুক্রবার জানিয়েছে, আরজি কর-কাণ্ডে ধৃত কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের বিরুদ্ধে নতুন তথ্যপ্রমাণ পেলে তা আদালতে জানানো হবে।
আরও পড়ুনঃ Jadavpur University: উপাচার্যহীন যাদবপুর, ভাস্কর গুপ্তকে অপসারণ রাজ্যপালের
২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে আরজি করে (RG Kar) তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় নড়ে গিয়েছিল গোটা দেহ। বিচার চেয়ে দখল করা হয়েছিল । ২৪ ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। আর জি কর কাণ্ডে দোষী সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে সিবিআই তদন্ত নিয়ে খুশি নয় বলেই জানিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা মা। তাঁদের আবেদনে সাড়া দেয় শীর্ষ আদালত। জানিয়ে দেওয়া হয় এই মামলার শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টে।
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/