Jalpaiguri: পূণ্যস্নানে মর্মান্তিক ঘটনা, মৃত্যু ৮ বছরের শিশু

জেলা

নিউজ পোল ব্যুরো: জলপাইগুড়ির করলা নদীর বারুণী ঘাটে (Jalpaiguri ) পূণ্যস্নান করতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মৃত্যু হলো ৮ বছরের শিশুর। উল্লেখ্য , ঠাকুরনগরের বারুণী মেলার (Baruni Mela) পাশাপাশি জলপাইগুড়িতেও পূণ্যস্নানের আয়োজন করা হয়েছিল। হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয়েছিল সেখানে। আর সেই ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা।

মৃত শিশুর নাম বিবেক রায়(৮)। তার বাড়ি জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) মোহিতনগর পুলিশপাড়া (Mohitnagar, Jalpaiguri) এলাকায়। বাবা-মায়ের সঙ্গে বারুণী স্নানের জন্য এসেছিল সে। কিন্তু সবার নজর এড়িয়ে নদীর জলে নেমে যায় বিবেক। স্রোতের টানে বেশ কিছুটা এগিয়ে গিয়ে গভীর জলে তলিয়ে যায় সে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নদীতে নির্দিষ্ট দূরত্ব পর্যন্ত স্নানের জন্য বেড়া দেওয়া ছিল। তবুও এই দুর্ঘটনা ঘটল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিবেকের বাবা তখন ঘাটেই ছিলেন,অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন। মা কাছেই ছিলেন, তবে মুহূর্তের জন্য চোখ সরাতেই ছেলে নদীতে নেমে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্তানকে দেখতে না পেয়ে খোঁজ শুরু করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃhttp://Balurghat Incident: চোলাই মদের ঠেক,প্রতিবাদে রাস্তায় মহিলারা

স্থানীয়রা তখনই নদীতে নেমে খোঁজ চালান শিশুর। কিছুক্ষণ পর বিবেককে জল থেকে উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় হাসপাতালে (Local Hospital) নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত (Declared Dead) বলে জানিয়ে দেন। শিশুর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার। পাশাপাশি, প্রশ্ন উঠেছে নিরাপত্তা (Safety Measures) নিয়ে। অত মানুষের ভিড়ের মধ্যেও কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল? নদীর পাড়ে কি পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না? পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিবেকের দেহ ময়নাতদন্ত (Postmortem) এর জন্য জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri Incident) মেডিক্যাল কলেজ (Jalpaiguri Medical College) পাঠানো হয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/p/19M1wzshJX/

জানা গিয়েছে, ওই বালকের বাবা ঘাটে গিয়ে চুল-দাড়ি কাটাতে ব্যস্ত ছিলেন। তার মা ঘাটের কাছেই। মায়ের হাত ছাড়িয়ে ওই বালক নদীর জলে নেমে যায়। বেশ কিছুটা দূরেও চলে যায় সে। জল গভীর থাকায় মুহূর্তে তলিয়ে যায় সে। এরপরই নদীর ওই ঘেরা জায়গায় লোকজন নেমে তল্লাশি চালায়। কিছু সময় পরে উদ্ধার করা হয় বিবেককে। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ ওই মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।