Karmatirtha Project: রাজনৈতিক সংঘাতের ছায়ায় কর্মতীর্থের অচলাবস্থা!

জেলা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কর্মতীর্থ এখনো চালু হয়নি! বঞ্চিত সাধারণ মানুষ থেকে যুবক-যুবতীরা। ঝাড়গ্রাম (Jhargram) জেলার সাঁকরাইল ব্লকের পাথরা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাকড়া এলাকায় রয়েছে একটি বিশাল সরকারি ভবন (Government building)। যা তৈরি করতে খরচ হয়েছিল কোটি টাকা। রাজ্য সরকারের কর্মতীর্থ প্রকল্পের (Karmatirtha Project) আওতায় এটি তৈরি হয়েছিল যাতে এলাকার বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের (Employment) সুযোগ থাকে। কিন্তু আজও সেই ভবনটি কার্যকর হয়নি এবং বর্তমানে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ভবনটি বর্তমানে তালাবন্ধ হয়ে আছে। তার চারপাশের পরিবেশ একেবারেই অনাদরিত। এর মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে নির্মাণ সামগ্রী, নানা আবর্জনা, ভেঙে গেছে জানলার কাঁচ, আগাছায় ঢাকা পড়েছে পুরো চত্বর। প্রশাসনিক নজরদারি না থাকার কারণে ভবনটির বর্তমান পরিস্থিতি এতটাই খারাপ।

আরও পড়ুন:Tufanganj: তুফানগঞ্জে বেআইনি মাটি কাটার রমরমা, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

কর্মতীর্থ প্রকল্পের (Karmatirtha Project) আওতায় ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন বিপণি কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল, যাতে স্থানীয় যুবক-যুবতীরা তাদের তৈরি পণ্য বিক্রি করতে পারে যাতে সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পারে। তবে, সাঁকরাইল ব্লকের কর্মতীর্থ এখনো অচল অবস্থায় রয়ে গেছে। এর ফলে এলাকার মানুষ বিশেষ করে যুবক-যুবতীরা কর্মসংস্থানের (Employment) সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক: https://www.facebook.com/share/1XhiZuM5DK/

ব্লকের বিজেপি (BJP) নেতা দেবাশীষ ঘোষ অভিযোগ করেছেন যে, কর্মতীর্থ প্রকল্পের (Karmatirtha Project) বাস্তবায়ন ও পরিচালনায় কাটমানির ঘটনা ঘটেছে। রাজ্য সরকারের শাসক দলকেও এর জন্য দায়ী করেছেন। তবে, এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল (TMC) নেতা মথুর মাহাত। তিনি দাবি করেছেন যে, কর্মতীর্থের কার্যক্রম শীঘ্রই শুরু হবে।

এদিকে, সাঁকরাইল ব্লকের ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক রোহন ঘোষ জানিয়েছেন যে, ভবনটি চালু করতে কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তার জন্য তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করছেন।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

স্থানীয় বাসিন্দা সুনীলমল দাস ও গ্রামবাসী চুনারাম মুর্মু অভিযোগ করেছেন যে, প্রশাসনিক উদাসীনতার কারণে এই প্রকল্প কার্যকর হয়নি। এর ফলে এলাকার যুবক-যুবতীরা কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয় মানুষ দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।