নিউজ পোল ব্যুরো: ২০ বছর ধরে প্রচেষ্টা চালানোর পরও সফলতা পাচ্ছিলেন না তিনি। তবে অবশেষে ভাগ্য বদল! আপ্রাণ চেষ্টার পর এক অনন্য ধরণের গাছ (Rose Plan) বিক্রি করে জীবন বদলে গেল তামিলনাড়ুর (Tamilnadu) তিরুভাল্লুরের বিক্রেতা জলন্ধরের। বছরে ৬০ লক্ষ টাকা আয় করছেন তিনি। গাছটির নাম ‘মরুভূমির গোলাপ’ (Rose Plant)। এর গুণাবলী ও চাষ পদ্ধতি একেবারেই আলাদা।
আরও পড়ুন: Gas Leak: ফিরল ভোপালের স্মৃতি, গ্যাস লিক করে মৃত কারখানার মালিক, আশঙ্কাজনক ৪০
এটি একটি শুষ্ক অঞ্চলের গাছ যা তিরুভাল্লুর জেলার উথুকোট্টাই তালুকের ইসানাম কুপ্পামে ১৫ একর জমিতে চাষ করছেন তিনি। এই অঞ্চলের জলবায়ু অত্যন্ত কঠিন তবুও জলন্ধরের নার্সারি এক ভিন্ন গল্প বলছে। ১৯৮৬ সালে মুম্বই (Mumbai) থেকে এই গাছ সংগ্রহ করার পর তিনি এই চাষ শুরু করেছিলেন। প্রথমে প্রক্রিয়া জানতেন না কিন্তু পরে তাইওয়ান, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম গিয়ে গাছের পরিচর্যার কৌশল শিখেছিলেন। বর্তমানে এই গাছের চাষে (Golap Plant) শুধু অর্থনৈতিক লাভই নয় গোটা এলাকাটিকে এক স্বর্গের রূপ দিয়েছে জলন্ধর।
জলন্ধর জানিয়েছেন, ‘মরুভূমির গোলাপ’ চাষের পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ। সপ্তাহে দুবার জল (Water) দিলেই এই গাছ খুব ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। এই গাছের জন্য কোনো সার বা অতিরিক্ত পরিচর্যার প্রয়োজন পড়ে না। এমনকি, এই গাছের গুঁড়ি শক্ত হয়ে গেলে তার দাম ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চলে যায়। এরই মধ্যে কেরল, গুজরাত, দিল্লি, এমনকি দুবাইতে (Dubai) রফতানি করা হয়েছে এই গাছ।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
২০০৯ সালে জামাইকায় ৫ হাজার গাছ রফতানি করেছেন জলন্ধর। ২০১৫ সালে দুবাইয়ে (Dubai) এক লক্ষ গাছ পাঠিয়েছিলেন। বর্তমানে তাঁর আয় বছরে ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকার মধ্যে পৌঁছেছে। গাছটির চাষে সরকারের কাছ থেকে বছরে ১০ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা অনুদানও পান তিনি।
এটি শুধু একটি গাছ নয়! জলন্ধরের জীবনের এক নতুন দিগন্ত। মরুভূমির গোলাপের চাষ এখন একটি সফল ব্যবসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যা অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করছে।