নিউজ পোল ব্যুরো: ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল থেকে একটি নতুন শুল্কনীতি (New tariff policy) চালু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তিনি বলেছিলেন, যেসব দেশ আমেরিকার (America) পণ্যে বেশি শুল্ক আরোপ করে, আমেরিকা তাদের পণ্যের ওপর সমান পরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে। এই সিদ্ধান্তকে (Decision) ‘পারস্পরিক শুল্ক’ বা ‘পাল্টা শুল্ক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ট্রাম্প (Donald Trump) এমনকি এই দিনটিকে ‘মুক্তি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন যা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে (International trade) একটি বিশাল পরিবর্তন আনে।
আরও পড়ুন: Sunita Williams: পৃথিবীতে ফিরে কেমন আছেন সুনীতা?
হোয়াইট হাউস (White House) সূত্রে খবর, ট্রাম্পের (Donald Trump) ঘোষণা অনুযায়ী শুল্কের এই নীতি কার্যকর হয়ে যাবে। ২ এপ্রিল স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (ভারতের সময় মধ্যরাত) মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবেন। এই শুল্কবৃদ্ধির (Tariff increase) মাধ্যমে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্কের উপর কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে বৈঠক হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, ভারত এবং কানাডা—এই সব দেশ আমেরিকার পণ্যে যথাক্রমে ৫০%, ৭০০%, ১০০% এবং প্রায় ৩০০% শুল্ক আরোপ করে থাকে। এর ফলে, আমেরিকার বাজারে এই দেশগুলির পণ্য প্রবাহ অনেকটাই সীমিত হয়ে যায়। ট্রাম্পের ঘোষণায়, তিনি আমেরিকান পণ্যে এমন দেশগুলির উপর পাল্টা শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
ভারতও এই পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রাখছে। ভারতের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাঁরা ট্রাম্পের ঘোষণার পরে কী পদক্ষেপ নিতে হবে তা নিয়ে আলোচনা করবেন। ইতিমধ্যে ট্রাম্পের কাছ থেকে কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, ভারত আমেরিকার পণ্যে শুল্কের হার কমাতে পারে, তবে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। ভারত এই মুহূর্তে ধীরে চলো নীতি অনুসরণ করছে ও পরিস্থিতির সঠিক মূল্যায়ন করতে চাইছে।
এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় বাণিজ্যনীতির উপর বড় প্রভাব পড়তে পারে এবং বিশ্ব বাণিজ্যেও তা একটি নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করবে।