নিউজ পোল ব্যুরো: শিলিগুড়ির নাবালিকা রহস্য মৃত্যুতে সামনে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর মোড় (Siliguri Case)। মঙ্গলবার পুলিশ কিশোরীর প্রেমিক রোহিত রায় ও আরও এক নাবালককে (minor) গ্রেফতার করেছে। এদিকে, কিশোরীর মৃত্যুর প্রতিবাদে (protest) শিলিগুড়ি ও নিউ জলপাইগুড়ি (New Jalpaiguri) যাওয়ার রাস্তা অবরোধ (road blockade) করে বিজেপি (BJP)। এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কিশোরীর মা (mother of the victim) উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি দোষীদের (culprits) ফাঁসি (death sentence) দাবি করে সোচ্চার হয়েছেন।
আরও পড়ুন:- Malda: এসি চালাতেই চমক! জেলাশাসকের বাংলোয় চরম আতঙ্ক!
উল্লেখ্য, ওই নাবালিকা মঙ্গলবার দুপুরে তার বন্ধুদের (friends) সঙ্গে বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনবাত্তি মোড়ে বিরিয়ানি (biryani) খাওয়ার জন্য যাচ্ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরেও সে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা (Siliguri Case) উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সন্ধ্যার দিকে কিশোরীর প্রেমিক রোহিত নাবালিকার পরিবারের কাছে ফোন করে জানায় যে তাদের মেয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক (critical condition)। পরে মৃত অবস্থায় তাকে শিলিগুড়ির জেলা হাসপাতালে (Siliguri District Hospital) নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযোগ উঠেছে যে, নাবালিকাকে খুন (murder) করা হয়েছে এবং তার দেহে কালসিটে দাগ (bruises) ও আঘাতের (injuries) চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্ত (autopsy) রিপোর্ট ছাড়া কিশোরীকে ধর্ষণ (rape) করা হয়েছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে, অভিযুক্ত রোহিত রায়ের বয়ানে অসঙ্গতি (inconsistencies) ধরা পড়ে। রোহিত জানিয়েছিলেন, কিশোরীকে উত্তরকন্যা (Uttarkanya) এলাকার পার্শ্ববর্তী জঙ্গলের কাছ থেকে উদ্ধার (rescued) করেছিলেন। কিন্তু ওই এলাকার এক প্রত্যক্ষদর্শী অঞ্জলি মণ্ডল (Anjali Mondal) জানিয়েছেন, তিনি রোহিতকে ওই নাবালিকার বাড়ি থেকে বাইরে নিয়ে যেতে দেখেছেন। তখন মেয়েটির দেহ হলুদ হয়ে গিয়েছিল। সেই দেখেই তার সন্দেহ হয় যে ওই নাবালিকা মারা গিয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT
এই ঘটনার পর, (Siliguri Case) অভিযুক্ত রোহিতের দেওয়া বয়ান মিথ্যা (false statement) হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তের পর, নাবালিকার ঘনিষ্ঠ বন্ধু রোহিত রায় ও তার আরেক নাবালক বন্ধুকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং পরে দুজনকেই গ্রেফতার (arrest) করে।শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ (Siliguri Metropolitan Police) নিউ জলপাইগুড়ি থানার (New Jalpaiguri Police Station) পুলিশের সহায়তায় এ বিষয়ে তদন্তের কাজ শুরু করেছে।