Bikash Bhavan: বিকাশ ভবনের সামনে ২০২২ প্রাথমিক TET উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার

breakingnews কলকাতা শিক্ষা

নিউজ পোল ব্যুরো: লক্ষ্মীবারেই ২৬ হাজার চাকরিপ্রার্থীর উপর নেমেছে খাঁড়ার ঘা। কলকাতা হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে শীর্ষ আদালত ২৬ হাজার জনের চাকরি (SSC Recruitment) বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে। চাকরি বাতিলের খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েন চাকরিজীবিরা। এই একই দিনে ২০২২ প্রাথমিক TET উত্তীর্ণ (TET 2022) চাকরিপ্রার্থীরা বিকাশ ভবনের (Bikash Bhavan) সামনে বিক্ষোভ দেখান। ৫০ হাজার পদে নতুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে বিকাশ ভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বিকাশভবন অভিযান ঘিরে উত্তাপ ছড়িয়েছে। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয় বলেই খবর। প্ল্যাকার্ড হাতে বিকাশ ভবনের সামনে চাকরিপ্রার্থী বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বিকাশ ভবনের বাইরে বৃদ্ধি করা হয়েছে পুলিশি নিরাপত্তা। এদিন নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান চাকরীপ্রার্থীরা। বিক্ষোভের আগে বিকাশভবনের সামনের অংশ ঘিরে ফেলে পুলিশ।

২০১৬ সালের প্যানের বাতিল নিয়ে বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার পর্যবেক্ষণ, কলকাতা হাই কোর্টের রায়ই ঠিক। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ,  ‘কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করার কোনও প্রয়োজনীয়তা আমরা বোধ করছি না।’ এদিনের রায়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, অবৈধ শিক্ষকদের টাকা ফেরত দিতে হবে। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ জানিয়েছে, তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।” শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, যাঁরা অন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে ২০১৬ সালের SSC-এর মাধ্যমে স্কুলের চাকরিতে যোগদান করেছিলেন, তাঁরা চাইলে পুরনো কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারবেন। এই আবহে টেট প্রার্থীদের বিকাশ ভবনের (Bikash Bhavan) সামনে বিক্ষোভ দেখানোর ঘটনা যে শাসক তৃণমূলকে চাপে ফেলবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

অন্যদিকে এদিন ২০১৬-এর সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল নিয়ে শহীদ মিনারের পাদদেশে বিক্ষোভ এবং হতাশা প্রদর্শন করেছেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। হাইকোর্টের রায় বহাল রাখায় চাকরি গিয়েছে ২৬ হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর। তারই প্রতিবাদে শহীদ মিনারের পাদদেশে জমায়েত হয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাদের দাবি, “যোগ্য অযোগ্য আলাদা করে দেখা হলো না। চাকরি গেলো সকলের। ” শাসক বিরোধী দুই শিবিরের দিকেই আঙ্গুল তুলছেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। তাদের দাবি যারা অযোগ্য তাদের পাশাপাশি যোগ্যদের ও চাকরি ছিনিয়ে নেওয়া হলো। পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তারা বলছেন, আগামীকাল থেকে কিভাবে তাদের চলবে তা তারা নিজেরাও জানেন না। আত্মহত্যার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষিকা।‌

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব চ্যানেলের লিংক: https://youtube.com/@newspolebangla?si=Ygy6shQubNhWstbr