Blood Pressure: রান্নাঘরের মশলা আপনার রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে!

স্বাস্থ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: আপনি কি রক্তচাপ (Blood Pressure) নিয়ন্ত্রনে রাখতে চান? আপনার হাতের কাছেই সেই জিনিসটা রয়েছে আপনার অজান্তেই! যেটা দিয়ে আপনি আপনার রক্তচাপ (Blood Pressure) নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারবেন! তাহলে জানুন সেই অপরিহার্য্য জিনিসের নাম।

আরও পড়ুন: UTI: বারবার ইউরিন ইনফেকশন? জেনে নিন কারণ ও সমাধান

রান্নাঘরের (Kitchen) অপরিহার্য মশলা হলুদ (Turmeric)। যা প্রায় সব ঘরেই পাওয়া যায়। শুধু স্বাদই (Taste) নয়, প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় এর ব্যবহার হয়ে আসছে। ব্যথা বা প্রদাহ হলে, বা ত্বকে ক্ষত হলে হলুদের (Turmeric) ব্যবহার অতি পরিচিত। কিন্তু কখনও কি ভেবেছেন? এই মশলা রক্তচাপ (Blood Pressure) নিয়ন্ত্রণেও কার্যকরী হতে পারে? শুনতে অবাক লাগলেও, এই তথ্যের পেছনে রয়েছে বিজ্ঞান! ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ (National Institute Of Health) এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, হলুদে (Turmeric) উপস্থিত কারকিউমিন (Curcumin) নামক যৌগ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

হলুদের গুণাগুণ: হলুদে (Turmeric) উপস্থিত কারকিউমিন (Curcumin) একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কোলেস্টেরল (Cholesterol) নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। শুধু তাই নয় এই উপাদানটি হৃদরোগ, আর্থ্রাইটিস, হাঁপানি, ডায়াবেটিস এমনকি ক্যান্সারের (Cancer) মতো মারাত্মক রোগগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে সহায়ক। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, কারকিউমিন ভিটামিন সি (Vitamin C) বা ই-এর তুলনায় পাঁচ থেকে আট গুণ বেশি কার্যকরী।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

কীভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে হলুদ?
হলুদ (Turmeric) শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড (Nitric oxide) উৎপাদন বাড়ায়, যা রক্তনালী প্রসারিত করতে সাহায্য করে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে। কাঁচা হলুদের (Raw turmeric) রসে সামান্য নুন মিশিয়ে খালি পেটে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এটি শরীর থেকে টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বের করতে সহায়ক। পাশাপাশি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণও কমায়।

হলুদ খাওয়ার উপায়:
১. হলদি চা: দুধ বা জলে কাঁচা হলুদ, গোলমরিচ, দারচিনি দিয়ে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে গরম গরম খেতে পারেন। এটি কোলেস্টেরল কমানোর পাশাপাশি সর্দিকাশির মতো সমস্যায়ও উপকারী।

২. হলুদ-আদার চা: জলে কাঁচা হলুদ ও আদা ফুটিয়ে গোলমরিচ দিয়ে ছেঁকে খেতে পারেন। এটি শরীরের প্রদাহ কমায় এবং হজমের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন সতর্কতার সঙ্গে?
যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে বা গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজঅর্ডার (GERD) রয়েছে, তাদের জন্য হলুদ ব্যবহারে সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত হলুদ গ্রহণের ফলে কিডনির ওপর চাপ পড়তে পারে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

অতএব, হলুদ শুধু রান্নায় নয়। শরীরের নানা উপকারিতায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে, তা ব্যবহারের আগে কিছু সতর্কতা মেনে চলা প্রয়োজন। বিশেষ করে যদি আপনার কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক সমস্যা থাকে।