নিউজ পোল ব্যুরো: শুক্রবারই ব্যাংককে পার্শ্ব বৈঠকে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদী-ইউনূস (Modi-Yunus)। এই বৈঠকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে (Md Yunus) ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রসঙ্গে ইউনূসের কাছে রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মোদী।
আরও পড়ুনঃ Trump-Musk : ট্রাম্পের দেওয়া সরকারি পদ থেকে ৩ মাসেই ইস্তফা দিচ্ছেন মাস্ক!
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হওয়ার পর এই প্রথম মোদীর মুখোমুখি হয়েছিলেন ইউনূস। ব্যাংককে আয়োজিত বিমসটেক (BIMSTEC) সম্মেলনের এক ফাঁকে পার্শ্ব বৈঠক সারেন মোদী-ইউনূস (Modi-Yunus)। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি ইউনূসকে বাক্ সংযমের বিশেষ পরামর্শও দিয়েছেন মোদী।

বুধবার থেকে বিমসটেক (BIMSTEC) সম্মেলন শুরু হয়েছে তাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে। এই সম্মেলনে যোগ দিতেই ব্যাংককে পাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী (PM Modi)। অন্যদিকে ইউনূসও রয়েছেন একই সম্মেলনে। এই সন্মেলনের মাঝে মোদীর সঙ্গে ইউনূসের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আয়োজন করতে মরিয়া ছিল ঢাকা। তবে সম্মেলনের নৈশভোজে যে ছবি দেখা গিয়েছিল তা উস্কে দেয় নয়া জল্পনা। এই নৈশভোজে পাশাপাশি বসেছিলেন মোদী-ইউনূস (Modi-Yunus)। কিন্তু দুজনের মুখই গম্ভীর ছিল। এমনকি একে অপরের চোখাচুখি পর্যন্ত করতে দেখা যায়নি তাঁদের।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব চ্যানেলের লিংক: https://youtube.com/@newspolebangla?si=Ygy6shQubNhWstbr
কিন্তু শুক্রবার হঠাৎই বদলে যায় ছবিটা বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকেই পার্শ্ব বৈঠক সেরে নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। এই বৈঠক শেষে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি ইউনূসকে মোদী আর্জি জানিয়েছেন যে পরিবেশ কলুষিত করতে পারে এমন কথাবার্তা এড়িয়ে চলাই ভাল। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দু’দেশের সহযোগিতার কথাও ইউনূসকে মোদী মনে করিয়ে দিয়েছেন বলে জানাচ্ছেন ভারতীয় বিদেশ সচিব। এদিকে বর্তমানে যখন ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সমীকরণ ক্রমেই অবনতির দিকে তখন ব্যাংককে পার্শ্ব বৈঠকের মাধ্যমে ভারত প্রতিবেশী গুরুত্ব নীতি এবং সংযমের পরিচয় দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।