New Jalpaiguri Station: নিউ জলপাইগুড়িতে বড়সড় চোরাচালান!

অপরাধ জেলা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে নিত্য নতুন চোরাচালানের ঘটনা সামনে আসছে। এসব অপরাধের মধ্যে এক অন্যতম বড় ঘটনা হল সিগারেট চোরাচালান। শুল্ক দফতরের (Customs Department) অভিযান অব্যাহত থাকার পরেও চোরাচালানকারীরা নিত্য নতুন পন্থায় অবৈধভাবে সিগারেট বা অন্যান্য মাদক দ্রব্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে। সম্প্রতি শিলিগুড়ি (Siliguri) শুল্ক দফতরের কর্মকর্তারা নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে (New Jalpaiguri Station) একটি বিশাল সিগারেট পাচারের চালান আটক করেছেন। এতে অবৈধভাবে আনা ৯২ হাজার পিস বিদেশী সিগারেট উদ্ধার হয়েছে। এসব সিগারেটের বাজার মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা (10 Lakh Rupees)।

আরও পড়ুন:- Forest Department: চা বাগানে নতুন অতিথি

শিলিগুড়ি শুল্ক দফতরের কর্মকর্তারা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে (new jalpaiguri station) অভিযান পরিচালনা করেন। তারা জানতে পারেন, একটি বড় চালান অবৈধভাবে পাচার হয়ে আসছে এবং তা রাজধানী এক্সপ্রেস (Rajdhani Express) ট্রেনে পাচার করা হচ্ছে। এই চালানটি দিল্লির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। শুল্ক দফতরের কর্মকর্তারা তৎপর হয়ে ট্রেনটিতে তল্লাশি শুরু করেন এবং দুটি ট্রাঙ্ক (trunk) আটক করেন। ট্রাঙ্কের তালা ভাঙার পর, প্রতিটি প্যাকেটে ৯২ হাজার পিস বিদেশী সিগারেটের প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ১০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:- https://www.facebook.com/share/164mWXbsyp/

উদ্ধারকৃত সিগারেটগুলো মায়ানমার (Myanmar) থেকে চোরাই পথে ভারতে আনা হয়েছিল। এটি সম্ভবত একটি আন্তর্জাতিক সিগারেট পাচার চক্রের অংশ ছিল, যার মাধ্যমে অবৈধভাবে সিগারেট ভারতে প্রবাহিত হয়। পাচারের উদ্দেশ্য ছিল দিল্লিতে (Delhi) পৌঁছানো। তবে, শুল্ক দফতরের কর্তব্যরত কর্মকর্তারা তৎপরতার সঙ্গে অভিযানে অংশ নিয়ে এই বিপুল পরিমাণ সিগারেট উদ্ধার করতে সক্ষম হন। এটি একটি বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং শুল্ক দফতরের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন এবং এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবেন। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার বিদেশী সিগারেট উদ্ধার হওয়া নিঃসন্দেহে শিলিগুড়ি শুল্ক দফতরের একটি বড় সাফল্য। এটি শুধুমাত্র একটি সিগারেট চোরাচালান রুখতে সক্ষম হয়নি, বরং এর মাধ্যমে পাচার চক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশকেও ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। শুল্ক দফতর এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির এখন আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধ দমন করা যায় এবং বৈধ উপায়ে সিগারেট ব্যবসার সঠিক নিয়ম অনুসরণ হয়।