নিউজ পোল ব্যুরো: লড়াই শেষ হয়েছে বেলুচিস্তানে। সারাদিন লড়াইয়ের পর অবশেষে নিহত ৩০ জন বালুচ লিবারেশন আর্মির (BLA) সদস্য। এরই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৪৬ জন পণবন্দিকে। বুধবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে জাফর এক্সপ্রেসের হাইজ্যাক হওয়ার ঘটনা (Pakistan Train Hijack) প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে এমনই আপডেট দিয়েছেন পাক সেনার জনৈক আধিকারিক।
আরও পড়ুনঃ Pakistan Train Hijack: পণবন্দিরা সকলেই সরকারি কর্মী, ট্রেন উদ্ধারে রাতভর গুলির লড়াই
এদিকে ৩০ জন সন্ত্রাসবাদীকে নিকেশ করে পণবন্দিদের উদ্ধার করলেও জাফর এক্সপ্রেসে থাকা সেনা আধিকারিকদের রক্ষা করতে পারেনি পাক সেনা। সূত্রের খবর, হাইজ্যাক হওয়া ট্রেনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর ২৭ জন আধিকারিক সাধারণ যাত্রী হিসেবে ছিলেন। সেসময় কেউই ডিউটিতে ছিলেন না। পাক সেনার তরফে জানানো হয়েছে, এঁদের সকলেরই মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়া সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়েও এক সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে বেলুচিস্তানে হাইজ্যাক করা হয় জাফর এক্সপ্রেসকে (Pakistan Train Hijack)। এরপর থেকেই পণবন্দি যাত্রীদের উদ্ধারে সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করতে থাকে পাক সেনা। বালুচ বিদ্রোহীরা যাকে পাকিস্তান সরকারের ‘বোকামি’ আখ্যা দিয়েছিল। তাদের তরফে ৪৮ ঘন্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে, তাদের দাবি মেনে বালুচ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নেতাদের মুক্তি দেওয়া না হলে এক এক করে হত্যা করা হবে সমস্ত পণবন্দিদের।
নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
পাকিস্তানের ট্রেন হাইজ্যাকের ঘটনায় (Pakistan Train Hijack) উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপুঞ্জ। সংস্থাটির জেনারেল সেক্রেটারি অ্যান্তোনিও গুতেরেস ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানান। অনতিবিলম্বে হাইজ্যাক হওয়া ট্রেনের পণবন্দিদের মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, যাঁদের পণবন্দি করা হয়েছিল তাঁরা সকলেই সরকারি কর্মচারী। সেনা, আইএসআই কিংবা প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত তাঁরা। এদের মধ্যে ২৭ জন সেনা আধিকারিকের মৃত্যু যে সরকারকে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলে দিল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।