নিউজ পোল ব্যুরো: চারিদিকে শুরু হয়ে গিয়েছে বসন্ত উৎসব (Holi 2025)। রঙের উৎসবে রঙিন হয়ে উঠেছে চারিদিক। প্রতি বছরের মত এবারও সল্টলেকের (Saltlake) ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং বিধাননগর পৌর নিগমের ৫ নম্বর বোরো চেয়ারম্যান রঞ্জন পোদ্দারের উদ্যোগে মহাসমারোহে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হল সল্টলেকের GD পার্কে। খোলা হাওয়া প্রোডাকশনের ব্যবস্থাপনায় এবং বিপাশা মিত্রের নির্দেশনায় সল্টলেকের (Saltlake) বাসিন্দাদের জন্য এক নাচ-গানের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধান নগরের বিধায়ক তথা রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস (Sujit Bose), বিশিষ্ট নাট্যশিল্পী সোহিনী সেনগুপ্ত (Sohini Sengupta), এবং এলাকার প্রবীণ নাগরিকরা। প্রায় ৬০০ জন নাচ-গানে অংশগ্রহণ করেন। সল্টলেকের জিডি পার্ক (Salt Lake GD Park) এই উৎসব দেখতে ভিড় করে। অনুষ্ঠানের শেষে সকলের জন্য মিষ্টিমুখ ও আবির খেলার ব্যবস্থা করা হয়।
আরও পড়ুন:Polash Flower: পলাশের সৌন্দর্য্য ও স্বাস্থ্যঝুঁকি,উদ্বেগ বেলুড় হাসপাতালে

রঞ্জন পোদ্দার জানান, এই বছরের বসন্ত উৎসব (Holi 2025) চতুর্থ বছরে পদার্পণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সাধারণত সারা বছর বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকি, তবে এই সময়ে আমরা একে অপরকে রঙিন করে আনন্দ ভাগাভাগি করি। এই উৎসবে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের সকল বাসিন্দাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ বছর ৫ থেকে ৮০ বছর বয়সী সবাই এখানে অংশগ্রহণ করেছেন এবং বাকিরা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেছেন।’

বাচ্চাবেলায় দোলের (Holi 2025) স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রঞ্জন পোদ্দার বলেন, ‘ছোটবেলায় শান্তিনিকেতন (Shantiniketan) যেতাম বাবা-মায়ের সাথে, পরবর্তীতে বন্ধুদের সঙ্গে শান্তিনিকেতনে (Shantiniketan) গিয়ে বসন্ত উৎসব উপভোগ করতাম। তখন পিচকিরি দিয়ে পথচলতি মানুষদের রাঙিয়ে দিতাম এবং বড়দের পায়ে আবির দিয়ে প্রণাম করতাম।’

আরও পড়ুন:Rewa Newborn Incident: মর্মান্তিক দৃশ্য, কুকুরের মুখে নবজাতকের দেহ
নাট্যশিল্পী সোহিনী সেনগুপ্ত (Sohini Sengupta) সংবাদমাধ্যমে জানান, ‘এই সুন্দর উৎসবে অংশ নিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। বিশেষ করে মেয়েরা যে সুন্দরভাবে নাচ পরিবেশন করছে, সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি সল্টলেকের বাসিন্দা এবং এখানের পরিবেশ ভালো লাগে। ছোটবেলায় আমি রং খেলতে ভয় পেতাম কারণ আমার এলার্জি ছিল, তবে তারপরও রং খেলতাম।’

তিনি শান্তিনিকেতন (Shantiniketan) নিয়ে তার স্মৃতি ভাগ করে বলেন, ‘শান্তিনিকেতনে যাওয়া আমার খুব ভালো লাগত। এখন শান্তিনিকেতনে যে কড়াকড়ি করা হয়েছে, তা জরুরি ছিল, কারণ অনেক মানুষ আসার ফলে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছিল।’
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:https://www.facebook.com/share/1XhiZuM5DK/
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সমাজকে সুন্দর রাখতে দায়িত্ব রয়েছে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কিছু রেখে যাওয়া উচিত, কারণ জীবনটা খুবই সংক্ষিপ্ত।’