নিউজ পোল ব্যুরো: আইপিএলের ১৮তম সংস্করণের (IPL 18) শুরুতেই বল বিকৃতির (Ball Tampering) অভিযোগে উঠল চেন্নাই সুপার কিংসের (CSK) বিরুদ্ধে। রবিবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের (MI) বিরুদ্ধে মরশুমে প্রথম ‘এল ক্লাসিকো’ (CSK vs MI) চলাকালীন সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে (Viral Video) দেখা যায় সিএসকের বাঁ-হাতি পেসার খলিল আহমেদ (Khalil Ahmed) বল করার আগে অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের (Ruturaj Gaikwad) সঙ্গে কিছু দেওয়া নেওয়া করছেন। যা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনদের একাংশ। ধোনির দলকে ফের নির্বাসনে পাঠানোর কথা বলছেন তারা। তবে বিপক্ষ মতও এসেছে।
আরও পড়ুন: CSK vs MI: কাজে এল না ভিগ্নেশের লড়াই, ৪ উইকেটে মুম্বই বধ চেন্নাইয়ের
ভিডিওটিতে (Ball Tampering) দেখা যাচ্ছে বোলিং শুরু করার আগে খলিল তাঁর প্যান্টের বাঁ পকেট থেকে কিছু একটা বের করে অধিনায়ক রুতুরাজকে ডাকেছেন। হাতে বল নিয়ে এগিয়ে আসেন চেন্নাই অধিনায়ক এবং ক্যামেরার দিকে পিছন ফিরে তাদের দুজনকে কিছু আলোচনা করতে দেখা যায়। এরপর তারা যখন ক্যামেরার দিকে ফেরেন তখন দেখা যায় খলিল রুতুরাজের কাছ থেকে বলটি নিয়ে সিএসকে অধিনায়কের হাতে কিছু একটা ধরিয়ে দেন। সেটি নিজের পকেটে ঢুকিয়ে নিয়ে চলে যান রুতুরাজ। এরপরেই বোলিং শুরু করেন খলিল এবং চতুর্থ বলেই আউট করেন রোহিত শর্মাকে।
এই ভিডিও দেখেই দুভাগ ক্রিকেট ভক্তরা। একদলের মতে বল বিকৃত (Ball Tampering) করার চেষ্টা করছিলেন চেন্নাই অধিনায়ক এবং খলিল। তারা মনে করছেন অস্ট্রেলিয়ার মত বল বিকৃত করেছে চেন্নাইও। ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ চলাকালীন ‘স্যান্ডপেপার’ -এর মাধ্যমে বল বিকৃত করার অভিযোগ ওঠে অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন ব্যানক্রফ্ট, স্টিভ স্মিথ এবং ডেভিড ওয়ার্নারের বিরুদ্ধে। এক বছরের জন্য নির্বাসনে পাঠানো হয় তাঁদের।
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৬ এবং ২০১৭ এই দুই বছর আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাইকে। ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ ওঠে তাদের মালিকের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়ও সামনে টেনে এনেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে কিছুজন মনে করছেন খলিলের হাতে ‘চুইংগাম’ ছিল আর কিছুই না। আবার কেউ মনে করছেন বল করার আগে হাতের আংটি খুলে অধিনায়কের কাছে রাখতে দিচ্ছিলেন খলিল। যদিও বিষয়টি নিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বা চেন্নাই সুপার কিংস বা বিসিসিআই কোন পক্ষই কোন অভিযোগ বা মন্তব্য করেনি।