নিউজ পোল ব্যুরো: কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের কোচ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট তারকা যুবরাজ সিংয়ের (Yuvraj Singh) বাবা যোগরাজ সিং (Yograj Singh)। দাবি করেছিলেন, তাঁকে সুযোগ দেওয়া হলে বাবর, রিজওয়ানদের বিশ্বসেরা করে তোলার ক্ষমতা রাখেন তিনি। ওয়াঘার ওপার থেকে এ নিয়ে কোনও সদর্থক প্রতিক্রিয়া না আসায় এবারে নিজের দেশের দলের দিকে ঝুঁকলেন যোগরাজ। বলা ভাল, বেশি করে ঝুঁকেছেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) দিকে। তাঁকে প্রয়োজনে ২০ কিলোমিটার দৌড় করাবেন বলে জানিয়েছেন যোগরাজ।
আরও পড়ুনঃ SRH vs LSG: হায়দ্রাবাদে মধুর প্রতিশোধ লখনউয়ের
ভারতীয় ক্রিকেটে যুবরাজ সিংয়ের অবদান অনস্বীকার্য। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ জয়ের মূল কারিগর তিনি। অথচ বাবা যোগরাজ যদি না থাকতেন তাহলে ২২ গজের দুনিয়ায় আসাই হত না যুবির। ছেলেকে ক্রিকেটার বানাতে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছিলেন যোগরাজ। সেই আত্মত্যাগ এবং সমস্ত পরিশ্রমের ফল অবশ্য মিলেছে। ছেলে যুবরাজ আজ ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি। তবু এরপরও তৃপ্ত নন যোগরাজ। আজও কোনও প্রতিভার অপচয় দেখলে সবার আগে গর্জে ওঠেন তিনি।

এবার যোগরাজ সরব হলেন খোদ ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) প্রতিভার অপচয় নিয়ে। রোহিতের নেতৃত্বে এক বছরেরও কম সময়ে দুটি আইসিসি ট্রফি জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। আবার এই সময়ের মধ্যেই ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ০-৩ হোয়াইটওয়াশড্-ও হতে হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ১-৩ ব্যবধানে খুইয়ে আসতে হয়েছে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি। বিশেষ করে, অস্ট্রেলিয়া সফরে তো ব্যাট হাতেও চূড়ান্ত ব্যর্থ হিটম্যান। সেইসঙ্গে বিরাট কোহলিও রান পাননি সেভাবে।

নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
স্বভাবতই ভারতীয় ক্রিকেটের দুই মহারথীকে অবিলম্বে দল থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তোলা হয়। এই দাবি কিছুতেই মানতে পারছেন না যোগরাজ। রোহিত-বিরাটকে (Rohit Sharma and Virat Kohli) নিজের ‘সন্তানসম’ দাবি করে তিনি বলেন, “রোহিত আর বিরাটকে বাদ দেওয়ার জন্য লোকজন সবসময় তৈরি। কিন্তু কেন? ওরা খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আমি ওদের সঙ্গে সন্তানের মত আচরণ করব।” এরপরই যোগ করেছেন, “আমি ভারতের কোচ হলে রোহিতকে ২০ কিলোমিটার দৌড়তে বলব। বলব, তোমরা রনজি খেলো। আমি তোমাদের পাশে আছি। এগুলো কেউ করে না। রোহিতরা একেকজন একটি হিরে। ওদের ফেলে দেওয়া যায় না। আমি বাবার মত ওঁদের পাশে থাকব।”