নিউজ পোল ব্যুরো: জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের (Jalpaiguri Court) অ্যাডিশনাল থার্ড কোর্ট এক খুনের মামলায় অভিযুক্তের ফাঁসির সাজা (death sentence) ঘোষণা করল। শুক্রবার এই রায় ঘোষণা করেন বিচারক বিপ্লব রায়। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেয়। এই রায়ে সন্তুষ্ট মৃতের পরিবার ও এলাকাবাসী। সরকার পক্ষের আইনজীবী শুভঙ্কর চন্দ জানান, ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২১ সালের ৪ মার্চ, ভক্তিনগর থানার শান্তিনগর এলাকায়। ঘটনার দিন সকালে শংকর দাস বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্থানীয় চায়ের দোকানের দিকে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময়
তার পিসতুতো ভাই সুরেশ রায় পেছন থেকে ছুরি (knife) নিয়ে তার ওপর হামলা (attack) চালায়।
আরও পড়ুন:- Bengal Safari Park: আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে সিংহী এবার সাফারি পার্কে!
শংকর দাসকে রাস্তায় ফেলে এলোপাথাড়ি ছুরির আঘাত করা হয়। স্থানীয়রা শংকরের চিৎকার শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। রক্তাক্ত অবস্থায় শংকরকে উদ্ধার করে শিলিগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এই ঘটনার পরেই শংকর দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে ভক্তিনগর থানায় সুরেশের রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে অভিযুক্ত সুরেশ রায়কে গ্রেফতার (arrest) করে পুলিশ। আদালতে দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার (trial) মধ্যে ১২ জন সাক্ষীর (witness) সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। মামলার শুনানিতে উভয় পক্ষের আইনজীবী যুক্তি পেশ করেন। সমস্ত তথ্য-প্রমাণ বিচার করে আদালত অবশেষে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির আদেশ দেয়।
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:- https://www.facebook.com/share/164mWXbsyp/
মৃতের ভাই তাপস দাস বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, দিন আনি দিন খাই। আমার দাদা রাজমিস্ত্রীর (mason) কাজ করত। দিনের আলোয় নির্মমভাবে তাকে খুন করা হয়েছিল। আমরা এতদিন অপেক্ষা করেছি ন্যায়বিচারের (justice) জন্য। আদালতের রায় শুনে মনে হচ্ছে, দাদার আত্মা শান্তি পাবে।” মৃত শংকর দাসের বন্ধু প্রণব কুমার দাস ওই এলাকার কয়েকজন যুবক জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের বাইরে ব্যানার নিয়ে উপস্থিত হন। তারা ন্যায়বিচারের দাবিতে (justice demand) আদালত চত্বরে অবস্থান করেন। প্রণব কুমার দাস বলেন, “শংকর খুব সৎ ও পরিশ্রমী মানুষ ছিল। তার খুনের খবর আমরা কেউই মেনে নিতে পারিনি। তার পরিবারের অবস্থা খুবই শোচনীয় ছিল। আমরা চেয়েছিলাম, তার পরিবার যেন ন্যায়বিচার যেন পায়। অবশেষে আদালতের (Jalpaiguri Court) এই রায়ে আমরা খুশি।”