নিউজ পোল ব্যুরো: ডুয়ার্সের চা শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষায় আরও শক্তিশালী সংগঠনের রূপ (Dooars) পেল তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক সংঘ (Trinamool Tea Garden Workers’ Union)। চা বাগানের শ্রমিকদের বকেয়া প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) আদায়, ন্যায্য মজুরি বৃদ্ধি, এবং অন্যান্য দাবি নিয়ে সংগঠন এক বৃহৎ পদযাত্রার (march) ঘোষণা করেছে। ৮ই এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে এই পদযাত্রা ডুয়ার্সের বিভিন্ন চা বাগান ও জনপদ পরিক্রমা করবে। শেষ হবে ১১ই এপ্রিল। বুধবার গভীর রাতে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সংগঠনের নতুন ইউনিট গঠন করা হয়। রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ মন্ত্রী (Minister for Backward Classes Welfare) এবং মালবাজার বিধানসভার বিধায়ক (MLA of Malbazar) বুল চিক বরাইক (Bulchik Baraik) নতুন ইউনিটের ঘোষণা করেন। আনন্দপুর চা বাগানে (Anandpur Tea Garden) নতুন ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন বাবলু ওরাও (Bablo Oraon) সভাপতি হিসেবে এবং সঞ্জীব ঝাঁ (Sanjeeb Jha) থাকবেন সম্পাদক হিসেবে।
আরও পড়ুন:- Malda: মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর রহস্যমৃত্যু

নতুন ইউনিট গঠনের পরপরই সংগঠনের পক্ষ থেকে ডুয়ার্স (Dooars) ব্রাঞ্চ অফ ইন্ডিয়ান টি প্লান্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (Doars Branch of Indian Tea Planters Association), মালবাজারের অতিরিক্ত শ্রম কমিশনার (Additional Labour Commissioner, Malbazar) এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিক বার্তা পাঠানো হয়। অনুরোধ করা হয়, যেন সংগঠনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং চা শ্রমিকদের স্বার্থে কার্যকরী ভূমিকা পালন করা হয়। এই নতুন ইউনিট গঠন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বুল চিক বরাইক বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal Government) চা শ্রমিকদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রাজ্যের উদ্যোগে চা বাগান শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি (wage hike) করা হয়েছে এবং চা বাগানে পানীয় জলের (drinking water) সুব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের বিজেপি সরকার (BJP Government) এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=Ygy6shQubNhWstbr

তিনি আরও বলেন, গত নির্বাচনে বিজেপি চা শ্রমিকদের (Dooars) প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে বন্ধ চা বাগানগুলি অধিগ্রহণ (acquisition of closed tea gardens) করে পুনরায় সচল করবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি। ফলে চা বাগানের শ্রমিকরা চরম আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন। এই পদযাত্রার লক্ষ্য শুধু বকেয়া প্রভিডেন্ট ফান্ড আদায়ই নয়, চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের দাবিও তোলা হবে। সংগঠনের নেতারা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ চা শ্রমিকদের ঐক্যের শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যতে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।