SSB: অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেফতার বাংলাদেশী যুবক

জেলা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: শিলিগুড়ি জেলার খড়িবাড়ির ইন্দো-নেপাল সীমান্ত (Indo-Nepal Border) গ্রেফতার করা হয়েছে এক বাংলাদেশী যুবককে। তার সাথে আরও এক ভারতীয় নাগরিককেও গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি ওই বাংলাদেশী যুবককে সহায়তা করছিলেন বলে অভিযোগ। শনিবার রাতে পানিট্যাঙ্কি সীমান্তের (Panitanki Border) কাছে মেচী নদীর (Mechi River) ধারে এসএসবি (SSB) টহলদারির সময় এই দুই ব্যক্তিকে সন্দেহজনক অবস্থায় আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃত বাংলাদেশী যুবকের নাম মহম্মদ নইম (Mohammad Noim)। তিনি বাংলাদেশের বরিশাল (Barishal, Bangladesh) জেলার বাসিন্দা। তিনি কোনো বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে নেপাল যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে সূত্রের খবর। কিন্তু তার কাছ থেকে কোনো পাসপোর্ট (Passport) বা ভিসা (Visa) পাওয়া যায়নি, যা স্পষ্টতই অবৈধ অনুপ্রবেশের (Illegal Entry) প্রমাণ দেয়। এজন্য এসএসবি তাকে আটক করে। পরে খড়িবাড়ি থানার (Kharibari Police Station) হাতে তুলে দেওয়া হয় ওই যুবককে।

আরও পড়ুন:- Suvendu Adhikari on SSC: ‘ভাইপোর অফিস থেকে সব নিয়োগ হয়েছে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে খড়িবাড়ির বাসিন্দা রমেন সিংহ (Ramen Singh) নামের এক ভারতীয় ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করা (SSB) হয়েছে। তিনি ওই বাংলাদেশী যুবককে নেপাল পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের অনুমান। ধৃতদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল (Motorcycle) উদ্ধার করা হয়েছে, যা তারা সীমান্ত পারাপারের কাজে ব্যবহার করছিল। এসএসবি সূত্রে খবর, শনিবার রাতেই তাদের খড়িবাড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার, ধৃত বাংলাদেশী যুবককে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে (Siliguri Sub-Divisional Court) তোলা হয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@newspolebangla?si=Ygy6shQubNhWstbr

পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত পারাপারের (Border Crossing) জন্য সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে পরিচিত। তাই এসএসবি এখানে নিয়মিত টহল চালায় এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। ভারত-নেপাল সীমান্ত উন্মুক্ত থাকায় (Open Border), এই ধরনের অবৈধ প্রবেশ (SSB) এবং পাচারের ঘটনা প্রায়শই ঘটে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী তাদের নজরদারি বাড়িয়েছে।