নিজস্ব প্রতিনিধি, হুগলি: দুয়ারে সরকার ক্যাম্প শুরু হতেই ছয়লাপ পুলিশে। ক্যাম্পে কোন গোষ্ঠী পরিষেবা দেবে তা নিয়ে মূলত শুরু হয় তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব। হুগলির (Hooghly) তারকেশ্বরে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
https://thenewspole.com/2025/03/26/sajna-danta-recipes-bengali/
বুধবার থেকে হুগলির (Hooghly) তারকেশ্বরের নাইটা মাল পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষুব্ধরামপুর হাইস্কুলে শুরু হয়েছে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প। মূলত কাল থেকে ক্যাম্প শুরু হলেও বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ক্যাম্পে সাধারণ মানুষদের পরিষেবা দেওয়া নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয়। দুই গোষ্ঠীর বিবাদ এতটাই চরমে পৌঁছেছিল দুই পক্ষের মধ্যে লাঠালাঠিও হয়। অবশেষে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
https://www.facebook.com/share/p/14ntxvWaWn/
এবার দুয়ারে সরকার শিবিরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দকে কেন্দ্র করে বেরিয়ে এল পিস্তল। যাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল শিবিরে। ঘটনা তারকেশ্বরের নাইটা – মাল পাহাড়পুর পঞ্চায়েতের। অভিযোগ, তৃণমূলের ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষ চলাকালীন পিস্তল বার করে হুমকি দেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মনিরুল ইসলামের দেহরক্ষী। এর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ময়দানে নামে পুলিশ। রাজ্যে কী করে বারবার আগ্নেয়াস্ত্র বেরিয়ে পড়ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে স্থানীরা।
https://youtu.be/P29UjdiL1dw?si=X9tLLJp6AZAGoS8I
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃষাণু রায় জানান, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে কিছু সমস্যা হয়েছিল তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, ক্যাম্পে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, যাতে কোনো অশান্তির সৃষ্টি না হয়।
জানা গিয়েছে, তারকেশ্বরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ নতুন নয়। এর আগেও উপপ্রধানের গোষ্ঠীর সঙ্গে অপর গোষ্ঠীর সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। ফের একই ঘটনা ঘটল দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে।
এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে বিডিও অফিসের কর্মীরা ছাড়া কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মীরা হাজির থাকতে পারবেন না বলে নির্দেশিকা রয়েছে।