TMC: গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত রাজারহাট! উপ্রধানের ওপর হামলা

কলকাতা রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: রাজারহাটের (Rajarhat) চাঁদপুর এলাকায় তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (Clan conflict) চরমে পৌঁছেছে, যা এলাকায় উত্তেজনা (Excitement) সৃষ্টি করেছে। মঙ্গলবার রাতে শিকরপুর এলাকায় তৃণমূলের (TMC) উপপ্রধান আকরামুল আলী কিছু লোকের সঙ্গে কথা বলছিলেন, সেই সময় চাঁদপুর পঞ্চায়েত সভাপতি জব্বার মোল্লার সমর্থকরা আগ্নেয়াস্ত্র ( Firearms) নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন উপপ্রধান (Deputy Chief)। এ হামলায় তিনি আহত হন এবং স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে প্রাণে বাঁচেন, এমন দাবি করেছেন তিনি। উপপ্রধানের দাবি, চাঁদপুর পঞ্চায়েত এলাকায় মাটির গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই এই হামলা ঘটে।

আরও পড়ুন:CPIM: ধুলো জমা ন্যানো, স্মৃতির শহরে সিপিএমের সম্মেলন!

ঘটনার পর, উপপ্রধান আকরামুল আলী ও তার অনুগামী তৃণমূল কর্মীরা শিকরপুর মোড়ে রাস্তা অবরোধ (Roadblock) করে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি (Situation) নিয়ন্ত্রণে এনে অবরোধ তুলে দেয়, তবে পরিস্থিতি শান্ত হতে না হতেই ঘটনাটি রাজারহাট থানায় গড়ায়। দুই গোষ্ঠী একে অপরের উপর আক্রমণ করতে শুরু করলে থানা এলাকায় আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ (Police) পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ (Baton charge) করে এবং পরে রাজারহাট থানার পুলিশ দুই তৃণমূল কর্মীকে আটক করে—উপপ্রধানের ভাই রেজাউল করিম এবং অন্য পক্ষের সাহাবুদ্দিনকে।

এদিকে, থানা এলাকায় তৃণমূল (TMC) কর্মীরা জমায়েত করলে পুলিশ তাদের সরে যেতে বাধ্য করে। লাঠি হাতে থানার সামনে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা এলাকা খালি করে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ নানা পদক্ষেপ (Steps) গ্রহণ করেছে, তবে পুরো ঘটনাটি চাঁদপুর এলাকায় এক বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতার (Political instability) সৃষ্টি করেছে।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:https://www.facebook.com/share/1XhiZuM5DK/

এ বিষয়ে চাঁদপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বলেন, “আমি নামাজ পড়তে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, এমন সময় বন দফতরের একজন কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে জানান যে তাঁর সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা রয়েছে। আমি নামাজ না পড়ে তৎক্ষণাৎ লাউহাটি চলে যাই। সেখানে গিয়ে বন দফতরের কর্মকর্তারা গাছ কাটার বিষয়ে আলোচনা করার পর চলে যান। এরপর, দু-তিনজন বয়স্ক ব্যক্তি সেখানে বসে ছিলেন, কিছু সময় পর আরও ৭-৮ জন লোক এসে আমাকে মারধর করতে শুরু করে। তারপর তাদেরই দলের ছেলে একটি রিভলবার বের করলে আমি সেটা ধরতে যাই। ধরতে গেলে আমাকে মারধোর শুরু করে। ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পঞ্চায়েত উপপ্রধান আক্রামুল আলী মোল্লা। তবে এই ঘটনায় পঞ্চায়েত সভাপতি জব্বার মোল্লার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:WB HS Exams 2025 পুরনো পদ্ধতির শেষ উচ্চমাধ্যমিক আজ থেকে