নিউজ পোল ব্যুরো: কাঁথি প্রভাতকুমার কলেজের (Kanthi Prabhat Kumar College) ভবন নির্মাণে দুর্নীতির (corruption in construction) অভিযোগ। কলেজেরই অধ্যক্ষের (Principal) বিরুদ্ধে কাঁথি থানায় দায়ের হলো এফআইআর (FIR)। কলেজের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন কাঁথির ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট(Deputy Magistrate)। তদন্তে (investigation) নেমেছে পুলিশ। ২০২২ সালে কাঁথি প্রভাতকুমার কলেজে একাধিক ভবন নির্মাণ হয়। কিন্তু সেই নির্মাণে বড়সড় অনিয়ম (irregularities in construction) হয়েছে বলে অভিযোগ। টেন্ডার (tender) ছাড়াই কাজ হয়েছে। ভবনের নকশা অনুমোদন (blueprint approval) করা হয়নি। ঠিকাদার নিয়োগেও (contractor appointment) স্বচ্ছতা ছিল না। এই অনিয়মের জন্য তৎকালীন কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি সৌমেন্দু অধিকারীর (Soumendu Adhikari, BJP MP) নামও জড়িয়েছে। বর্তমানে তিনি বিজেপি সাংসদ।
আরও পড়ুন:- Jhargram: হাতির উপদ্রব থেকে বাঁচতে চাষিদের নয়া কৌশল
এই দুর্নীতির বিষয়ে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী আবু সোহেল (Abu Sohel, Lawyer)। তিনি কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন। হাইকোর্ট পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক (District Magistrate) পূর্ণেন্দু মাজিকে (Purnendu Maji) তদন্তের নির্দেশ দেয়। এরপর জেলাশাসক ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়। অধ্যক্ষ অমিত কুমার দে সহ তৎকালীন ফিনান্স কমিটির সদস্যদের নাম উঠে আসে। তদন্তের ভিত্তিতেই কাঁথির ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট থানায় এফআইআর দায়ের করেন। এই মামলায় পুলিশ ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত (documents seized) করেছে। থানার আইসি প্রদীপ কুমার দাঁ (Pradip Kumar Da, IC) জানান, “তদন্ত চলছে। অধ্যক্ষকে আবারও থানায় হাজিরার জন্য নোটিস পাঠানো হবে।”
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:- https://www.facebook.com/share/164mWXbsyp/
পুলিশ অধ্যক্ষ ও ফিনান্স কমিটির সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায়। তবে অধ্যক্ষ থানায় উপস্থিত হননি। কয়েকজন অধ্যাপক থানায় গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করেছেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অধ্যক্ষের অনুপস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা হবে এবং প্রয়োজনে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। আইনজীবী আবু সোহেল বলেন, “নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্ত চলছে। আশা করছি, প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। জেলাশাসকের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে আবু সোহেল হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এরপর আদালত নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেয়।