নিউজ পোল ব্যুরো : শাসক দল তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত রাজারহাটের (Rajarhat) নারায়ণপুর (Narayanpur)। উঠেছে গুলি চলার অভিযোগ। এই গুলি কাণ্ডে (Rajarhat Shoot Out) দুজনকে গ্রেফতার করে নারায়ণপুর থানার পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ উদ্ধার করা হয় এক রাউন্ড গুলি। ধৃত দুজনকে শনিবার ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Rajarhat shoot Out: রাজারহাটে ভরদুপুরে চলেছিল গুলি, গ্রেফতার ২
ধৃতদের নাম সাজিদ খান ওরফে ছোটু এবং তাজ ইলিয়াস জনি। শুক্রবার রাজারহাটের নারায়ণপুর দক্ষিণে প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্তের (Sabyasachi Dutta) অনুগামী আজাদ বাবার উপর গুলি চালানোর ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করে নারায়ণপুর থানার পুলিশ। শুক্রবার রাতে তাদের মধ্যমগ্রাম এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে তাদের। এদিকে বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি ঘনিষ্ঠ শেখ আজাদ এই গুলি কাণ্ডে (Rajarhat Shoot Out) মূল অভিযুক্ত। তাকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

এই পরিস্থিতিতে শনিবার সকালেও থমথমে পরিবেশ রাজারহাট দক্ষিণ নারায়ণপুর এলাকা জুড়ে। যতক্ষণ না বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি ঘনিষ্ঠ মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার হচ্ছে ততক্ষণ এই পরিবেশ থাকবে বলে দাবি করছেন স্থানীয় বাসিন্দরা। এদিনও ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে রয়েছে ভাঙচুর হওয়া জিনিসপত্র। গুলি চলার আতঙ্ক থেকে এখনও বের হতে পারেননি বাসিন্দারা। এদিকে যার ওপর হামলা চালানো হয়েছে সেই আজাদ বাবাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমি কিছু বলব না। প্রশাসনের কাজ প্রশাসন করছে। আমার ওপর হামলা করেছে তাপস চ্যাটার্জির লোকেরা। এটা ইউপি নয় যে যখন তখন যার তার ওপর হামলা হবে।”

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব চ্যানেলের লিংক: https://youtube.com/@newspolebangla?si=Ygy6shQubNhWstbr
গুলি চলার পরেই ভিড় জমে যায় এলাকাজুড়ে। রাজারহাট দক্ষিণ নারায়ণপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা সামনে আনেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি ঘনিষ্ঠ শেখ আজাদের লোকজন হামলা করেছে বলে অভিযোগ। ঘটনার পরেই এলাকা চত্বরে ব্যপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। গুলি চলার ঘটনা (Rajarhat Shoot Out) নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রাক্তন বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত বলেন, “আমি ঘটনার সময়ে উপস্থিত ছিলাম না কিন্তু গুলি চলেছে এটা বাস্তব।” আরও যোগ করেন, “আমি যাকে চিনি তিনি একজন ড্রাগ প্যাডলার, সে আবার তৃণমূল কবে হল? তৃণমূলের সঙ্গে ড্রাগের কোনও সম্পর্ক নেই।” দুজনের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “পুলিশ পুলিশের কাজ করছে। প্রশাসনের প্রতি আস্থা রয়েছে। সারা ভারতবর্ষ দেখেছে মাননীয়া সাংসদ দিল্লি থেকে ফোন করেছিলেন। আমার মেয়র ফোন করেছিলেন। তৃণমূলের কোনও নেতা নেত্রী এই ঘটনা সমর্থন করে না।”