Madhyamgram Trolly Case: মধ্যমগ্ৰাম কাণ্ডে নৃশংস খুনের পরিকল্পনা ফাঁস! মা-মেয়ের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

জেলা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: মধ্যমগ্রামের চাঞ্চল্যকর ট্রলি কাণ্ড (MadhyamgramTrolley Case) এখন নতুন পর্যায়ে। আদালতের নির্দেশে এবার মামলার তদন্তভার কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) থেকে মধ্যমগ্রাম থানার হাতে তুলে দেওয়া হলো। অভিযুক্ত মা ফাল্গুনী ঘোষ এবং মেয়ে (Mother and Daughter) কে বুধবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে (City Sessions Court) হাজির করানো হয়। বিচারক তাদের এক দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার বারাসত আদালতে (Barasat Court) তাদের ফের হাজির করা হবে। যেহেতু তারা মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা এবং হত্যাকাণ্ডের (Murder Case) মূল ঘটনাস্থলও মধ্যমগ্রামে, তাই তদন্তভার সেখানকার পুলিশকেই দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:- https://thenewspole.com/2025/02/27/chandannagar-panagarh-road-accident-sutandra-chattopadhyay-death/

মঙ্গলবার সকালে কুমোরটুলি ঘাট (Kumortuli Ghat) এলাকায় পুলিশের সন্দেহ হয় ফাল্গুনী ঘোষ ও তার মেয়েকে দেখে। তাদের সঙ্গে ছিল একটি ট্রলি ব্যাগ (Trolley Bag)। পুলিশ ব্যাগটি পরীক্ষা করতে গেলে তাতে টুকরো টুকরো মানবদেহ (Dismembered Body) দেখতে পায়। এরপরই মা-মেয়েকে আটক করা হয়। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে(Madhyamgram Trolly Case) ফাল্গুনী স্বীকার করেন, নিহত মহিলা তার পিসিশাশুড়ি (Paternal Aunt-in-law) সুমিতা ঘোষ। তাকে খুন (Murder) করার পর দেহ টুকরো টুকরো করে ব্যাগে ভরা হয়েছিল। এরপর ট্যাক্সিতে (Taxi) করে তারা কুমোরটুলিতে যান, উদ্দেশ্য ছিল দেহভর্তি ট্রলিটি গঙ্গায় (River Ganges) ফেলে দেওয়া। কিন্তু তার আগেই ধরা পড়ে যান অভিযুক্তরা।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:- https://www.facebook.com/share/164mWXbsyp/

মঙ্গলবার রাতেই ফাল্গুনীকে নিয়ে কলকাতা পুলিশের নর্থ পোর্ট থানার (North Port Police Station) দল মধ্যমগ্রামের বীরেশপল্লীতে (Bireshpalli) তার ভাড়াবাড়িতে (Rented House) যায়। ফরেনসিক (Forensic) বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ২০টি প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। তদন্তে জানা যায়, ফাল্গুনী যে ইট দিয়ে সুমিতা ঘোষের মাথা ও মুখে আঘাত করেছিলেন, সেটি বাড়ির বাইরে বাগানে ফেলে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেই ইট উদ্ধার করেছে। ভাড়াবাড়ির পাঁচটি জায়গা থেকে(Madhyamgram Trolley Case) রক্তের নমুনা (Blood Sample) সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া, নিহতের মোবাইল (Mobile Phone), ভোটার কার্ড (Voter ID), আধার কার্ড (Aadhar Card) এবং ভ্যানিটি ব্যাগ (Vanity Bag) বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, ট্রলি ব্যাগে দেহ ঢোকানোর জন্য ধারালো অস্ত্র (Sharp Weapon) ব্যবহার করে সুমিতা ঘোষের দুই পা কেটে ফেলা হয়েছিল। এই কাজে ফাল্গুনী ও তার মেয়েকে কেউ সাহায্য করেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ এখন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সমস্ত দিক বিশ্লেষণ করে দেখছে। তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে অভিযুক্তদের ভবিষ্যৎ।