kisan mandi: ঝাড়গ্রাম কৃষক বাজার ফাঁকা কেন, আর কত দিন অপেক্ষা, প্রশ্ন স্থানীয়দের

জেলা রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: ঝাড়গ্রাম (Jhargram) জেলার কৃষক বাজারগুলি (kisan mandi) তৈরি হয়েছিল সরকারি অর্থায়নে, যাতে কৃষকরা (Farmer) তাদের উৎপাদিত ফসল ন্যায্য মূল্যে (Fair price) বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, অধিকাংশ কৃষক বাজার (kisan mandi) অপ্রতুল পরিকল্পনার কারণে কার্যকর হয়নি। এই কৃষক (Farmer) বাজারগুলির (Farmers’ market) মধ্যে কিছু বাজার চালু থাকলেও বেশিরভাগই প্রায় বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। যেমন বেলপাহাড়ি এবং নয়াগ্রামের কৃষক বাজারগুলি (Farmers’ market) কিছুটা কার্যকর হলেও, অন্য বাজারগুলি কখনোই সঠিকভাবে শুরু হয়নি। এমনকি, শহরের কাছাকাছি কৃষক বাজারগুলিও বেশ দূরে নির্মিত, ফলে কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে যেতে উৎসাহী হননি।

আরও পড়ুন:Arijit-Babul: রবীন্দ্রসঙ্গীতের পারিশ্রমিক বিতর্কে জলঘোলা!

ঝাড়গ্রাম (Jhargram) শহরের কৃষক বাজারটি তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, এবং এটি অপরিকল্পিতভাবে (Unplanned) নির্মিত। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হল, ঝাড়গ্রাম পৌরসভা ও জেলা পরিষদের মধ্যে সঠিক সমন্বয়ের অভাব। কারণ, ঝাড়গ্রাম (Jhargram) বাজারটি পৌরসভার (Municipality) আওতায়, ফলে কৃষক বাজার চালু করতে পৌরসভার উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, যা এখনও নেওয়া হয়নি। এর ফলে, কোটি কোটি টাকা খরচ করেও কৃষক বাজারগুলি আজ বেহাল অবস্থায় (Poor condition) রয়েছে, এবং এগুলিতে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ ও সাপের বাসস্থান তৈরি হয়েছে।

নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:https://www.facebook.com/share/1XhiZuM5DK/

স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘এই কৃষক বাজারগুলির বিল্ডিংগুলি এখন ফাটল ধরেছে এবং রাতের বেলায় দুষ্কৃতীদের আনাগোনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা চান, সরকার উদ্যোগী (Government initiative) হয়ে এই কৃষক বাজারগুলো পুনরায় চালু করুক, যাতে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পায় এবং সাধারণ মানুষও পরিষেবা লাভ করতে পারে।’ বিরোধীদের অভিযোগ, এসব বাজার শুধুমাত্র টাকা আত্মসাৎ (Embezzlement) করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন:Bangladesh: রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন গুতেরেস ও ইউনূসের

ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ সভাধিপতি এ বিষয়ে জানান, ‘ঝাড়গ্রামের কৃষকবাজার নিয়ে আমরাও চিন্তা ভাবনা করেছি। আমরা চেষ্টা করছি আগামীদিনে কৃষকরা যাতে ঠিক লোকেশনে জিনিসপত্র বিক্রয় করতে পারে।’