নিউজ পোল ব্যুরো: উত্তরবঙ্গে শক্তি বাড়াতে বামেরা যে আদাজল খেয়ে লেগেছে শনিবার তা প্রমাণ হয়ে গেল আরও একবার। শুক্রবার শিলিগুড়িতে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের (Minakshi Mukherjee) নেতৃত্বে ছিল উত্তরকন্যা অভিযান। আর এদিন জলপাইগুড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন সিপিআইএমের (CPIM) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (Md Salim)। এই সাংবাদিক বৈঠকে উত্তরকন্যা অভিযান এবং মালদা জেলার মোথাবাড়িতে (Mothabari) অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ে সরব হন তিনি।
আরও পড়ুনঃ Akhil Giri: ‘ভুয়ো’ ভোটার ধরতে গিয়ে আক্রান্ত অখিল গিরি!
গত সোমবার থেকেই উত্তপ্ত হতে থাকে মোথাবাড়ি। যা চরমে ওঠে বৃহস্পতিবার। দোকানপাট ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয় রাস্তায়। পাল্টা দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশও (WB Police)। ছোঁড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। সেইসঙ্গে ৬টি মামলা রুজু করে পুলিশ। এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তীব্র সমালোচনা করেন মহম্মদ সেলিম (Md Salim)।

প্রাক্তন সিপিএম সাংসদের দাবি, উত্তরবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী অবগতই নন। বলেন, “উনি তো আসেনই না। উনি তো লন্ডনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।” এরই সঙ্গে সেলিমের অভিযোগ, মমতার অবহেলা অশান্তি উস্কে দিচ্ছে। অন্যদিকে শুক্রবার শিলিগুড়িতে উত্তরকন্যা অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার জোর গলায় বলেন, “টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ার বা জল কামান চালানোর কোনও প্রয়োজন ছিল না। প্রশাসনিক ভবনে মানুষ মিছিল করে যাবে, প্রতিবাদ জানাবে এটা সারা বিশ্বে স্বীকৃত।”
নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
এতেই শেষ নয়। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে সেলিম ফের একবার এই বলে তোপ দেগেছেন যে তৃণমূল (TMC) এবং বিজেপি (BJP) মূলতঃ একই দল। বলেন, “আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতই ঠিক করে দেন তৃণমূল কী করবে আর বিজেপি কী বলবে।” কথাপ্রসঙ্গে সেলিম টানেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নামও। তাঁর অভিযোগ, দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে সরাসরি ডাকার সাহস নেই সিবিআইয়ের। তাই একজন সাংসদ হিসেবে ডেকেছে।
সিপিএমের রাজ্য সম্পাদককে এদিন প্রশ্ন করা হয় বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) নিয়েও। তবে দিলীপকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে নারাজ মহম্মদ সেলিম (Md Salim)। শুধু বিজেপির প্রাক্তন সাংসদকে তাঁর আসল নামের বদলে “রাম দা” বলে সম্বোধন করেন সেলিম। অন্যদিকে আগামী বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে তাঁর দাবি, ব্রিগেডের ময়দান থেকেই আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করবে বামেরা।