Uttar Dinajpur: জীবিত মেয়ের ‘শ্রাদ্ধানুষ্ঠান’ পরিবারের

জেলা

নিউজ পোল ব্যুরো: উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় (Sonapur Gram Panchayat) চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের অমতে (Against Family’s Will) ভিন্ন সম্প্রদায়ের ছেলেকে বিয়ে করায় এক যুবতীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠান (Shraddha Ceremony) পালন করেছে তার নিজের পরিবার। তারা ঘোষণা করেছেন, এই বিয়ের কারণে পরিবারের সম্মান (Family Honour) নষ্ট হয়েছে, তাই তারা মেয়ের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন (Severing Ties) করছেন।

পরিবারের দাবি, তাদের মেয়ে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে এমন একটি বিয়ে করেছে যা সমাজে তাদের মর্যাদা (Social Status) কমিয়ে দিয়েছে। তারা একে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছেন এবং মেয়েকে মৃত বলে ঘোষণা করেছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা অত্যন্ত ব্যথিত এবং অপমানিত (Humiliated) বোধ করেছেন। তাদের মতে, মেয়েটি পরিবার ও সমাজের বিরুদ্ধে গিয়ে অন্য সম্প্রদায়ে (Interfaith Marriage) বিয়ে করে তাদের সংস্কৃতির (Tradition) বিরোধিতা করেছে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় পরিবার সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়ের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক শেষ করবে। সেই উদ্দেশ্যে তারা একটি পূর্ণাঙ্গ শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন (Religious Ritual) করে, যেখানে পুরোহিত দ্বারা মন্ত্রোচ্চারণ (Vedic Chanting) করানো হয়। সাধারণত, কেউ মারা গেলে আত্মার শান্তির জন্য এই ধরনের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করা হয়, কিন্তু এখানে জীবিত মেয়ের জন্য এমন আয়োজন দেখে অনেকেই হতবাক হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ Malda Shootout: বাজার করতে বেরিয়ে গুলিবিদ্ধ যুবক!

অনুষ্ঠানে পরিবারের আত্মীয়স্বজন, গ্রামবাসী এবং পরিচিতরা অংশ নেন। খাবারের ব্যবস্থা (Feast) করা হয়, যা হিন্দু রীতি অনুযায়ী শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের অংশ। এভাবে প্রতীকীভাবে পরিবার মেয়েটিকে ‘মৃত’ ঘোষণা করে এবং সমাজের সামনে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয়। এই ঘটনার মাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, পরিবারের সম্মান কি সন্তানের ভবিষ্যতের চেয়ে বড়? নাকি সামাজিক রীতির দোহাই দিয়ে একটি মেয়েকে প্রতীকীভাবে ‘মৃত’ ঘোষণা করা অমানবিক?

নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/