AI Vs Natural Intellect: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতায় কি হারিয়ে যাচ্ছে স্বাভাবিক বুদ্ধি?

আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিজ্ঞান

নিউজ পোল ব্যুরো: AI বা Artificial intelligence অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। বস্তুটি আসলে ঠিক কী তা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন পড়ে না। বর্তমান সময়ে মানুষের কাজ সহজ করে দিচ্ছে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। কিন্তু এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর অতিরিক্ত নির্ভর হয়ে পড়াটা কি মোটেই উচিত হচ্ছে? আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি যে এর পরিণতি কী হতে পারে?

আরও পড়ুনঃ Army Air Defence: পাক সীমান্ত লাগাতার ড্রোন হামলা রুখতে নয়া কৌশল ভারতীয় সেনার

সম্প্রতি প্যারিসের এআই সামিটে (AI Summit) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে এক সতর্কবার্তা দিয়েছেন গোটা বিশ্বকে। অতিরিক্ত এআই নির্ভরতা কিন্তু অশনি সংকেত। মোদী মনে করিয়ে দিয়েছেন, Artificial intelligence বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আগামী দিনে মানুষের কাজ তো কেড়ে নিয়েই পারে, সেইসঙ্গে নষ্ট করে দিতে পারে মানুষের সহজাত বুদ্ধি। নষ্ট করে দিতে পারে মানুষের সৃজনশীলতা।

ধরা যাক, আপনি খুব ভাল ছবি আঁকতে পারেন। কিংবা কবিতা-গল্প লিখতে পারেন। কিন্তু বর্তমানে কোনো রক্তমাংসের শিল্পীর প্রয়োজন নেই। এআই (AI) ছবিও এঁকে দিতে পারে আবার গল্প-কবিতা লিখে দিতে পারে। আবার যিনি এখন আর জীবিত নেই তার গলা হুবহু নকল করে দিতে পারে। সব মিলিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গুণাবলী এতটাই পরিব্যাপ্ত যে বলে শেষ করা যাবে না। এই পরিস্থিতিতে মানুষের স্বাভাবিক বুদ্ধি বা সৃজনশীলতা কতটা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে?

নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/

আপনি ভাল ছবি আঁকতে পারলেও কেন আপনাকে কদর করা হবে? AI তো আপনার থেকে অনেক কম সময়ে একই ছবি এঁকে বা তৈরি করে দিতে পারে। এছাড়া আরো একটি মারাত্মক বিপদ ধেয়ে আসতে পারে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে। যেটা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী প্যারিসের সামিটে তুলে ধরেছেন। গুগলের অ্যালগোরিদম দেখা যায়। কিন্তু বোঝা যায় না। উল্টোদিকে এআই’য়ের অ্যালগোরিদম চোখে দেখাও যায় না, বোঝাও যায় না।

ফলে পক্ষপাতিত্বে পরিপূর্ণ তথ্য সামনে চলে আসতে পারে। যা জনসমাজকে সম্পূর্ণরূপে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম। প্রধানমন্ত্রী সে কারণেই বলেছেন, “আমাদের এমন ওপেন সোর্স সিস্টেম তৈরি করতে হবে, যা বিশ্বাস ও স্বচ্ছতাকে বাড়াবে। আমাদের কোয়ালিটি ডেটা সেন্টার তৈরি করতে হবে।” অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে হতে হবে স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য এবং পক্ষপাত-মুক্ত। তা নাহলে সমূহ বিপদ আসন্ন।