নিউজ পোল ব্যুরো: সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার ট্যাংরা এবং কসবায় যে ঘটনা ঘটেছে তা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। ট্যাংরায় একই পরিবারের দুই গৃহবধূ এবং এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। অন্যদিকে কসবায় উদ্ধার হয় এক দম্পতির ঝুলন্ত দেহ। এছাড়া তাঁদের একটি আড়াই বছরের পুত্র সন্তানের দেহও উদ্ধার করা হয়। এবারে কলকাতার এই ঘটনার ছায়া তেলেঙ্গানার হায়দ্রাবাদে (Hyderabad)।
আরও পড়ুন: Bratya Basu: বেসরকারি স্কুলের বেতন বৃদ্ধিতে লাগাম, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
হায়দ্রাবাদে (Hyderabad) উদ্ধার করা হয়েছে একই পরিবারের ৪ জনের দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, আর্থিক অনটনের কারণে হায়দ্রাবাদের হাবসিগুড়ায় আত্মঘাতী হয়েছেন এক দম্পতি। সেইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে তাঁদের পুত্র-কন্যার দেহ। কলকাতার কসবা এবং ট্যাংরার ঘটনাদুটির নেপথ্যেও ছিল আর্থিক সমস্যা। দুটি পরিবারই ঋণে জর্জরিত ছিল। বিশেষ করে কসবার ঘটনায় উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোট থেকে জানা যায় ছেলের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে দেনায় ডুবে গিয়েছিলেন দম্পতি।
একইভাবে হায়দ্রাবাদের (Hyderabad) ঘটনাতেও একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। ওসমানিয়া ইউনিভার্সিটি থানার ইন্সপেক্টর এন রাজেন্দ্রন জানিয়েছেন হাবসিগুড়ায় রবীন্দ্রনগর কলোনিতে থাকত ওই পরিবার। সোমবার রাতে প্রতিবেশীদের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এরপর চারটি মৃতদেহের পাশাপাশি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়। যেখানে আর্থিক সমস্যার কথাই বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মৃত ব্যক্তি এও নাকি লিখেছেন যে তাঁদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।
নিউজ পোল ফেসবুক পেজের লিংক: https://www.facebook.com/share/1EA79Afcw5/
প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশের অনুমান, প্রথমে দুই সন্তানকে গলা টিপে হত্যা করেন স্বামী-স্ত্রী। তারপর আলাদা আলাদা ঘরে গিয়ে গলায় দড়ি দেন দুজনে। মৃত ব্যক্তি একটি প্রাইভেট কলেজের লেকচারার ছিলেন। তবে গত কয়েক মাস যাবৎ কর্মহীন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের ধারণা, এই কারণেই হয়ত জীবনের চরমতম সিদ্ধান্তটি নিতে বাধ্য হয়েছে পরিবারটি।