Income tax: বাড়ছে রিটার্ন ফাইলের সময়সীমা ও সচেতনতা

breakingnews দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইলের সময়সীমা নিয়ে সচেতনতা বাড়ছে, এবছর বেড়ে গেল জুলাই,২৫ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

নতুন অর্থবছর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return বা ITR) ফাইল করার প্রক্রিয়া নিয়ে করদাতাদের মধ্যে তৎপরতা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় আয়কর দফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জন্য রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ৩১ জুলাই ২০২৫ নির্ধারিত হয়েছে। তবে যারা নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন ফাইল করবেন না, তাদের জন্য জরিমানা ও সুদের বিধান বহাল থাকবে। একই সঙ্গে নতুন সুখবর– এই তারিখও বাড়িয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরের আয়কর রিটার্নের জরিমানা ছাড়াই তারিখ বাড়িয়ে দেওয়া হল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত আয়করদাতাদের জন্য রিটার্ন ফাইল করা শুধু আইনগত বাধ্যবাধকতাই নয়, আর্থিক স্বচ্ছতারও প্রতীক। রিটার্ন ফাইল করলে ভবিষ্যতে ঋণ নেওয়া, ভিসা প্রক্রিয়া কিংবা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নানা সুবিধা পাওয়া যায়। করদাতারা এই প্রক্রিয়াটি সহজে সম্পন্ন করার জন্য আয়কর দফতরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা আয়কর দফতরের মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি বেশ কিছু অনুমোদিত ফিনটেক প্ল্যাটফর্মও অনলাইনে রিটার্ন ফাইলের সুবিধা দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: Justice Sanjeev Singh: দিল্লী ফের সরগরম-বিচারপতি বরখাস্ত

এবারের রিটার্ন ফাইলিং প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন ট্যাক্স স্ল্যাব অনুযায়ী, অনেক করদাতার ট্যাক্স লায়াবিলিটি কমেছে, যা মধ্যবিত্তদের জন্য স্বস্তির খবর। পাশাপাশি, বেতনভুক্ত কর্মচারী থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সার বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে সহজে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।
আয়কর দফতর জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে রিটার্ন ফাইল করলে ভবিষ্যতে নোটিশ, জরিমানা বা সুদের ঝামেলা এড়ানো যাবে। তবে ভুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ নথি দিয়ে রিটার্ন ফাইল করলে তা রিজেক্ট বা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে সব নথি সঠিকভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

কর বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো আয়কর রিটার্ন ফাইল করলে দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় থাকে এবং ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক পরিকল্পনাও মজবুত হয়। ফলে সচেতন করদাতাদের এখন থেকেই রিটার্ন ফাইলিংয়ের প্রস্তুতি শুরু করার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।
ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন (ITR)ফাইলিংয়ে নতুন দিশা,(e-filling) করদাতাদের জন্য বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক বছর ২০২৪-২৫-এর জন্য ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন (ITR) ফাইলিং প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে কেন্দ্রীয় আয়কর দফতর। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের আগেই ফাইলিং শুরু হয়েছে এবং করদাতাদের জন্য অনলাইন সিস্টেম(e-filling) আরও সহজ করা হয়েছে। এর ফলে করদাতারা দ্রুত এবং ঝামেলাহীনভাবে নিজেদের রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। আয়কর বিভাগ জানিয়েছে, এই বছর সময়সীমার মধ্যে রিটার্ন ফাইল করতে নাগরিকদের সচেতন করা হচ্ছে। সময়সীমার আগে ফাইল করলে প্রসেসিং দ্রুত শেষ হবে এবং রিফান্ডও(ফেরতও) তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে। অর্থমন্ত্রক জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় এবার অনলাইনে ফাইলিং-এর হার ইতিমধ্যেই ১৫% বেড়েছে।

নতুন পরিবর্তনের মধ্যে অন্যতম হলো প্রি-ফিলড ফর্ম। এখন বেতন, ব্যাংক সুদ, বিনিয়োগের তথ্য এবং টিডিএস(TDS)-এর তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে(Automatically)ফর্মে যোগ হয়ে যাচ্ছে, যা করদাতাদের সময় বাঁচাচ্ছে। পাশাপাশি, কর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, কর সাশ্রয়ের জন্য সঠিক সেকশন ব্যবহার করা এবং বিনিয়োগের তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
আয়কর দপ্তর আবারও সতর্ক করেছে যে নির্ধারিত সময়ের পর রিটার্ন ফাইল করলে জরিমানা গুনতে হবে। একইসঙ্গে, আয়কর অ্যাক্টের ধারা অনুযায়ী ভুল তথ্য দিলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তাই কর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সঠিক নথিপত্র যাচাই করে তবেই ফাইলিং করা উচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করদাতারা এখন থেকে ফর্ম 16, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, এবং প্যান-আধার লিঙ্কিং সঠিকভাবে সম্পন্ন করেছেন কিনা তা নিশ্চিত করে নিলে পুরো প্রক্রিয়া আরও দ্রুত সম্পন্ন হবে। সরকারের পক্ষ থেকে গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে ক্যাম্পের মাধ্যমে ফাইলিং পদ্ধতি বোঝানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
এই মুহূর্তে কর দপ্তরের লক্ষ্য যত বেশি সম্ভব নাগরিককে সময়সীমার মধ্যে রিটার্ন ফাইল করতে উৎসাহিত করা, যাতে কর ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গতি বাড়ে।