নিউজ পোল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে (Netaji Indoor Stadium) হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের মেগা বৈঠক। সেখান থেকেই ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণনীতি ঠিক করে দিয়েছেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই মেগা বইথিক নিয়েই প্রধান বিরোধী দল বিজেপির নেতারা প্রতিক্রিয়া দিতে শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবারের রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার(Sukanta Majumdar) বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ভয় পেয়েছেন। ভোটার কার্ডে কারচুপি নিয়ে সরব হল তৃণমূল নেত্রী। এই প্রসঙ্গে সুকান্তর মতই একই সুর শোনা গেল প্রাক্তন রাজ্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) গলাতেও।
শুক্রবার নিউটাউন সিটি সেন্টার টু-তে আসেন প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। সিটি সেন্টার টু-তে একটি সিনেমা দেখার কথা আছে তার। সেখানেই সাংবাদিকরা ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “ভোটার নিয়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে তার পিছনে টিএমসি-এর একটা চক্রান্ত রয়েছে। প্রত্যেক বিধানসভায় ৫,৬ হাজার ১০ হাজার বাংলাদেশী মুসলিমকে ঢুকিয়ে ভোটার করা হবে। সেই চক্রান্ত চলছে। তাই আগে থেকে উল্টো গেয়ে রাখছেন। বিজেপির দিকে তির ঘুরিয়ে দিচ্ছেন।” এর পরেই বিস্ফোরক মন্তব্য করে বিজেপি নেতা বলেছেন, “তিনি ভয় পেয়েছেন, যেভাবে কুম্ভের বিরোধীতা করছেন, সনাতনীর বিরোধীরা করছেন, হিন্দু সমাজের উতসবের ছুটি কেটে মুসলিমদের ছুটি দিচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরাও ভেলকি দেখাবে মহারাষ্ট্র-হরিয়ানার মত। তাই মুসলিম ভোটার, রোহিঙ্গা বাংলাদেশ থেকে ঢোকানো হচ্ছে। এবং হিন্দু ভোট যে ওনার বিরুদ্ধে যাবে সেটা উনি বুঝতে পেরেছেন।”
আরও পড়ুন: https://thenewspole.com/2025/02/28/mamata-banerjee-election-strategy-voter-list-manipulation/
দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) আগে, সুকান্ত বলেছিলেন, “বাংলাদেশে যে ধরনের অত্যাচারের ঘটনা ঘটেছে হিন্দুদের উপরে এবং যারা তথাকথিত সেকুলার তাদের উপরেও অত্যাচারের ঘটনা ঘটেছে যেহেতু তারা হিন্দু। তারফলে বাংলার বাঙালি হিন্দু অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের যারা বাঙালি হিন্দু তাদের মধ্যে কিন্তু একটা এক হওয়ার এবং একসঙ্গে রাজনৈতিক ভাবে মত প্রকাশের প্রবণতা কিন্তু বেড়েছে বলে আমার মনে হয়। তার ফলে মুখ্যমন্ত্রী ভয় পাচ্ছেন এবং এখন তিনি হিন্দু সাজার চেষ্টা করছেন। মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এখনও পর্যন্ত ১২-১৩ বছরে কখনও শুনেছেন এই প্রথমবার আমরা শুনলাম বলছেন আমি ব্রাহ্মণ ঘরের মেয়ে। এর আগে নিজেকে হিন্দু পর্যন্ত বলতেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বন্দ্যোপাধ্যায়টাও লিখতেন না। মমতা লিখতেন। এখনও সাইন করেন। আমরা খবরের কাগজের অ্যাড যে পাই সরকারের রাজ্য সরকারের সেখানে মমতা লেখা থাকে বন্দ্যোপাধ্যায় নয়।”