নিউজ পোল ব্যুরো: বীরভূম (Birbhum) জেলার শান্তিনিকেতন, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে (Visva-Bharati University) প্রতি বছর বসন্ত উৎসবটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি একটি চিরাচরিত অনুষ্ঠান, যা নানা ঐতিহ্য (Tradition) এবং রীতিনীতির মধ্য দিয়ে পালিত হয়ে থাকে। সাধারণত দোল পূর্ণিমার দিন এই উৎসবটি অনুষ্ঠিত হলেও, গত দুই-তিন বছর ধরে অতিরিক্ত পর্যটক এবং দর্শনার্থীদের ভিড়ের কারণে এই দিনটি পরিবর্তন করা হয়েছে। এবার, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই বসন্ত উৎসবটি (Spring Festival) ঐতিহ্য (Tradition) অনুযায়ী বড় ধুমধাম সহকারে পালন করা হয়।

আরও পড়ুন:JU Student Protest: যাদবপুরে উত্তাল আন্দোলন!
বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati University) পড়ুয়ারা বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলির মধ্যে এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে অপেক্ষা করে থাকে। অনুষ্ঠানটি শুরুর আগে উপাসনা গৃহের সামনে খোল দরজা খুলে দিয়ে শোভাযাত্রার মাধ্যমে এর শুভ সূচনা করা হয়। এই শোভাযাত্রায় বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি শান্তিনিকেতনের (Santiniketan) আশ্রম চত্বর প্রদক্ষিণ করে এবং এরপর গৌড় প্রাঙ্গণে পৌঁছায়। এখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) বিভিন্ন গীতিনাট্য পরিবেশন করা হয়।

বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা এই দিনটির জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেয়। তাদের নানা সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ একটি বড় প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের সৃষ্টিশীলতা এবং প্রতিভা প্রদর্শনের মাধ্যমে এই দিনটিকে বিশেষ করে তোলে। উৎসবের মূল আকর্ষণ হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা, যা শান্তিনিকেতন (Santiniketan) ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Visva-Bharati University) সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখে।
নিউজ পোল বাংলা ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:https://www.facebook.com/share/1XhiZuM5DK/
বিশ্বভারতীর বসন্ত উৎসব শুধু এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি মহত্ প্রথার অংশ, যা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তিনিকেতনকে পরিচিতি দিয়েছে। এই ঐতিহ্যটি ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে, এবং আগামী বছরগুলোতেও এই উৎসবের সাফল্য বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।